চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ২৯ হাজার টন পেঁয়াজ খালাস নিচ্ছে না ব‍্যবসায়ীরা।

0
18
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ২৯ হাজার টন পেঁয়াজ খালাস নিচ্ছে না ব‍্যবসায়ীরা।

পেঁয়াজের বাজারে ক্রেতাদের সুবাতাস বইতে না বইতেই আবার ‘অস্থিতিশীল’ করতে ফন্দি আঁটছেন ব্যবসায়ীরা। স্থিতিশীল হয়ে আসা পেঁয়াজের বাজারকে আবার অস্থিতিশীল করতে সরবরাহ আটকে রাখছে। চট্টগ্রাম বন্দরে ২৯ হাজার টন পেঁয়াজ এনে পণ্য খালাস নিচ্ছে না ব্যবসায়ীরা।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন দেশে থেকে একই সঙ্গে আমদানি করা হিমায়িত কন্টেইনারে প্রায় ২৯ হাজার টন পেঁয়াজ পড়ে আছে চট্টগ্রাম বন্দরে। তবে এ বিষয়ে আমদানিকারকরা কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।

খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের বড় বিপণিকেন্দ্র হামিদউল্লাহ মিয়া মার্কেটের ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, ‘আসলেবাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ থাকলে পেঁয়াজের দাম কমবে, আর সরবরাহ না থাকলে দাম বাড়বে; এ বিষয়টা ব্যবসায়ীর মতো ক্রেতারাও বুঝে। তাই আমদানিকারকরা পেঁয়াজ এনে বন্দরে সেগুলো ফেলে রাখা মোটেই ভালো কাজ নয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের পর্যাপ্ত আমদানি আছে। কম দামে বিক্রি করতে চাচ্ছি তারপরেও বিক্রি করা যাচ্ছে না। তবে কারো কেনা দাম হলো ৩৫ টাকা তাহলে সে ২০ টাকা বিক্রি করতে যাবে না। এ কারণে আমদানিকারকরা হয়তো নিতে চাচ্ছে না।’

জানা যায়, ভারত রপ্তানি বন্ধের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির ঋণপত্র খোলা হয়। অন্যদিকে উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের হিসেবে গত রোববার পর্যন্ত প্রায় ৪৪ হাজার টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। খালাসের অপেক্ষায় আরও ২৬ হাজার টন। যদিও লোকসানের ভয়ে বন্দর থেকে পেঁয়াজ খালাস করছেন না ব্যবসায়ীরা। আর আমদানি পর্যাপ্ত হলেও কম দামে পাচ্ছেন না ক্রেতারা।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন) মো. জাফর আলম বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে পণ্য খালাস না করলে দাম বাড়বে যা গিয়ে পড়বে ভোক্তার উপর। চারদিন পর আহ্বান হবে চারদিনে স্টোর ভাড়া বাড়তে থাকবে আর এসব গিয়ে ভোক্তার ওপর পড়বে।’

Leave a Reply