গুরুদাসপুরে মশার উপদ্রব, পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ।

0
13

গুরুদাসপুরে মশার উপদ্রব, পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ।

মিলন মাহমুদ, গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:-
মশার উপদ্রব বাড়ে তখনই, যখন মশকনিধন কার্যক্রম থাকে না। সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাবের সময় নাগরিক সমাজের প্রবল সমালোচনার চাপে মশকনিধন কার্যক্রমে যে তৎপরতা দেখা দিয়েছিল, সেই কার্যক্রমে ভাটা পড়েছে। সেই সাথে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন নাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভার বাসিন্দারাও।

বিজ্ঞাপন নীতিমালা ও বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা

গুরুদাসপুর পৌর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মশার উপদ্রব ক্রমেই বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে পৌর এলাকার অধিকাংশ জায়গায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকলেও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবে ও জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ময়লা আবর্জনার স্তুপ পড়ে থাকা এবং নিয়মিতভাবে মশকনিধন কার্যক্রম না চালানোর ফলে ডেঙ্গুরোগের প্রকোপ বাড়ছে। ফলে মশার কামড়ে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে জ্বর, ম্যালেরিয়ার মত রোগ দেখা দিচ্ছে। মশকনিধন কার্যক্রমে শিথিলতা দেখা দিলে অচিরেই বড় ধরণের বিপদের মুখোমুখি হতে পারে পৌরবাসী। তবুও টনক নড়েনি পৌর কর্তৃপক্ষের।

পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে খামারনাচকৈড় মহল্লার বাসিন্দা অধ্যক্ষ মো. মকলেছুর রহমান এলিন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মঈনুল হক, আফতাব সরদার ও সাংবাদিক আখলাকুজ্জামান বলেন, পৌর এলাকাজুড়ে এখন মশার মৌসুম চলছে। কেউ কোথাও বসেও শান্তি পাচ্ছিনা। একদিকে করোনা ভাইরাস অন্যদিকে মশার কামড়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে মানুষের জীবনযাপন। জরুরীভাবে মশকনিধন কার্যক্রম চালানোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

এ ব্যাপারে পৌর মেয়র মো. শাহনেওয়াজ আলী বলেন, সারাবছরই মশকনিধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারপরেও মশার উপদ্রব বেড়েই চলেছে। জরুরীভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

Leave a Reply