লাকসাম পৌর-শহর পশ্চিমগাঁও সাহা পাড়ায় নিষেধাজ্ঞা নামেই পুকুর ভরাট – প্রশাসন নিরব কে?

0
21

 

লাকসাম পৌর-শহর পশ্চিমগাঁও সাহা পাড়ায় নিষেধাজ্ঞা নামেই পুকুর ভরাট – প্রশাসন নিরব কে?

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা জেলার লাকসাম পৌর-শহর পশ্চিমগাঁও সাহা পাড়ায় রাতের আধারে পুকুর ভরাট চলছে। পুকুর ভরাট নিষিদ্ধ তবুও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে পুকুর ভরাটের কাজ চলছে। গত এক বছরে লাকসামে অর্ধ-শতাধিক পুকুর ভরাট করা হয়েছে। কোনো ভাবেই থামছে না এ পুকুর ভরাট। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুকুর ভরাট বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এক সময়ের অনিল সাহা ও তার ভাইয়েদের মালিকানাধিন পৌর এলাকার পশ্চিমগাঁও সাহা পাড়ায় শতবর্শী এই পুকুর। আশেপাশের লোকজন এই পুকুরে গোসল ও আসবাব ধোঁয়ার কাজে ব্যবহার করত। এই পুকুরটি ১৮ ডিং। সুমন সহ ৪ জন এই পুকুরটি ক্রয় করেন। গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাত দশটার পর ট্রাকে করে হাজীগঞ্জ থেকে বালু এনে পুকুরটি ভরাট করে। দিনের বেলায় বেড়া দিয়ে ঘেরাও করে রাখে। এলাকার কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাতে সরকারি অফিস বন্ধ থাকে। এ সুযোগে রাতের বেলায় ট্রাকে করে বালু দিয়ে ভর্তি করে পুকুরটি। স্থানীয়রা জানান, স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এই পুকুর ভরাট করছে। লাকসামে গত এক বৎসরে প্রায় অর্ধশতাধীক পুকুর ভরাট হয়েছে। কোন ভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না পুকুর ভরাট। সরকারি ভাবে পুকুর ভরাট নিষিদ্ধ। ১৯৯৫ এর ৬ এ (ঙ) ধারার বলা হয়েছে জলদ্বারা হিসাবে চিহ্নিত জায়গা ভরাট বা অন্য কোন ভাবে শ্রেণি বিন্যাস পরিবর্তন করা যাবে না। পরিবেশ আইন অনুযায়ী পুকুর, ডোবা-জলাশয় ভরাট করা নিষিদ্ধ। কোন পুকুর ভরাট করতে হলে প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমতি নিতে হবে। কিন্তু এই আইনকে তোয়াক্কা না করে প্রশাসনকে ম্যানেজের মাধ্যমে পুকুর ভরাট চলছে। এই ব্যাপারে জানতে চাইলে, সহকারি কমিশনার (ভূমি) উজালা রানী চাকমা বলেন, ব্যক্তি মালিকানা পুকুর হলে আমি কোন ব্যবস্থা নিতে পারবো না। খাস পুকুর হলে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মীর আবুল ফজল বলেন, পুকুর ভরাট করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোঃ জানে আলম
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি।

Leave a Reply