ছিনতাই করার সময় ০৩ (তিন) ছিনতাইকারী জনতার হাতে আটক।

0
14

ছিনতাই করার সময় ০৩ (তিন) ছিনতাইকারী জনতার হাতে আটক।

  • নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশঃ১৫/০৯/২০২০ খ্রিঃ, সময়ঃ ০৭:১০মিনিট।

নীলফামরীর ডিমলা উপজেলায় গত ১৩/০৯/২০২০ খ্রিঃ রাত ০৮.০০ টার সময় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইয়ের সময় ধৃত ছিনতাইকারীর পালিয়ে গেলেও তাদের সহযোগীদের আটক করে ইউনিয়ন পরিষদে বন্দি করে রাখে এলাকাবাসি। ইউপি চেয়ারম্যান তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

প্রতক্ষ্যদর্শীদের মাধ্যমে জানা যায় যে, নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার টুনিরহাট বাজারের ফল বিক্রেতা মহুবর এর এতিম নাতী মোঃ মুন্নাকে অনেকদিন ধরেই বাজারে ফল বিক্রয়ের ব্যবসা করে আসছে। গত১৩/০৯/২০২০ খ্রিঃ রাত ৮ টার সময় খগাখড়িবাড়ী (ছাগলটারী) গ্রামের মোঃ দুলাল হোসেনের ছেলে মোঃ সাকিল (২২) মোবাইলর মেমরী বিক্রির কথা বলে টুনিরহাট ধানহাটির আড়ালে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের বন্দরখড়িবাড়ী (উত্তরবাড়ী) গ্রামের মোঃ আবু কালামের ছেলে মোঃ আবু সাইদ (৩৮), টুনিরহাট বাজার সংলগ্ন মৃত মোস্তাফিজার রহমান মোস্তার ছেলে মোঃ কামরুল হাসান শুভ (৩৫) ফল বিক্রেতা মুন্নাকে জোড় জবর দস্তিকরে ধানহাটির পূর্ব দিকের ফাকা মাঠে নিয়ে যায়।যেখানে আরো অবস্থানরত টুনিরহাট বাজারের ভ্যান চালক মুন্না ওরফে বিজি, বন্দরখড়িবাড়ী (উত্তরবাড়ী) গ্রামের মোঃ ওবায়দুর রহমানের ছেলে মোঃ শোয়েবসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪জন মিলে ফল বিক্রেতা মুন্নাকে কালো কাপড় দিয়ে চোখ-মুখ বেধে ফেলে এবং তার পকেটে থাকা ৮,৮০০/- এবং একটি স্যামস্যাং জে-৭ মোবাইল সেট কেড়ে নেয়।

এতে সে বাধা দিলে তারা সবাই মিলে ফল বিক্রেতাকে মারতে শুরু করে, সেময় ধৃত ছিনতাইকারীরা ফল বিক্রেতাকে চাপ দিয়ে তার মায়ের নাম্বার নেয় এবং তার মাকে ফোন করে ২০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ছেলে এমন খবরে মা দিশেহারা হয়ে টুনিরহাট বাজারে আসে এবং খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের ০৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম ওরফে ছইখুল মেম্বারকে ঘটনা খুলে বললে সে উপায় না দেখিয়া ছিনতাইকারীদেরকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা দিয়ে ফল বিক্রেতা মুন্নাকে ছাড়িয়ে নেয়। এরপর বাজারের ব্যবসায়ীগণসহ অন্যান্য লোকজন ঘটনা সম্পর্কে আচ করতে পেরে উত্তেজিত হয়ে পরে। এবং ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করে, এসময় মূল ছিনতাইকারীরা পালিয়ে গেলেও তাদের সহযোগী সাকিল, নাজমুল ও মুন্না ওরফে বিজি (ভ্যান চালক)কে ধরে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের একটি রুমে তালাবদ্ধ করে রাখে।

খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ছিনতাইকারীদের ধরে থানায় নিয়ে যায়। ছিনতাইকারী দলের মূল হোতা আবু সাইদ ও শুভ পলাতক রয়েছে। তবে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে তাদের ধরার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং খুব শিঘ্রই তাদেরকে ধরে জেল হাজতে প্রেরন করা হবে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ডিমলা থানায় একটি কিডনাপিং ও ছিনতাইয়ের মামলা গ্রহন করা হয়।

Leave a Reply