মণিরামপুরে ভাইপো পারভেজ হোসেনের লাথিতে চাচা মারা গেছেন।

0
7

মুনিয়া মুক্তা
ব্যুরো প্রধান (খুলনা)
প্রকাশ:১৯.০৯.২০২০
সময়:০২.০০pm

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার গােবিন্দুপর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বসত-ভিটার বিরােধ মীমাংসাকালে ভাইপাে লাথি দিলে চাচা আব্দুস সাত্তার মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে যশাের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পুলিশ ভাইপাে পারভেজকে হেফাজতে নিয়েছে। নিহত আব্দুস সাত্তার গােবিন্দুপর গ্রামের মৃত ইব্রাহিম গােলদার এবং ভাইপাে পারভেজ নিহতের সেজ ভাই আব্দুল হামিদের ছেলে। আব্দুস সাত্তারের ভাই হাফেজ জয়নাল আবেদিন গােলদার বলেন, তাদের বাবা জীবিত থাকতেই বাস্তুভিটার ৮৫ শতাংশ।
জমি ছয় ভাই ও তিন বােনের মধ্যে বণ্টন করে দেন। সেই অনুযায়ী তারা বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। কয়েক বছর ধরে সেজ ভাই আব্দুল হামিদ ও ছােট ভাই রােকনুজ্জামান বাবার করা বণ্টন না মেনে ফের ভাগ করার চেষ্টা করে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওই দুই ভাইয়ের সাথে অপর তিন ভাইয়ের পরিবারের বিরােধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন শুক্রবার সকালে পাঁচ ভাই ও তাদের সন্তানরা বিরােধ মীমাংসায় শালিসে বসেন। হঠাৎ করে মেজ ভাই নিহত আব্দুস সাত্তারের সাথে সেজ ভাই আব্দুল হামিদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আব্দুল হামিদ, ছােট ভাই রােকনুজ্জামান, আব্দুল হামিদের ছেলে পারভেজ ও সােয়াইব হােসেন জয়নালের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এসময় তাকে রক্ষা করতে মেজ ভাই আব্দুস সাত্তার এগিয়ে আসলে পারভেজ তার বুকে লাথি ও কিল ঘুষি মারে। এতে আব্দুস সাত্তার মাটিতে লুটিয়ে পড়ে জ্ঞান হারান। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মণিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘােষণা করেন। চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন জুয়েল জানান, হাসপাতালে আনার আগেই আব্দুস সাত্তারের মৃত্যু হয়। মণিরামপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ভাইপাে পারভেজকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply