নাটোরে পরিত্যক্ত জেলখানায় আইটি ট্রেনিং সেন্টার।

0
7
নাটোরে পরিত্যক্ত জেলখানায় আইটি ট্রেনিং সেন্টার।

পিন্টু স্যার নাটোর প্রতিনিধি
প্রকাশ ২০/০৯/২০২০
সময় ০৪:২৮ pm

নাটোরে পুরনো জেলখানা মেরামত করে সেখানে গড়ে তোলা হয় তথ্য প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। সেখান থেকে ধারণা নেওয়া হয়, এরকম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আরও গড়ে তোলা হবে। হাতে নেওয়া হলো পরিকল্পনা।

পাস হলো প্রকল্প। সেই থেকে শুরু। প্রকল্পের এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম রাখা হলো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের নামে।

একের পর এক সারাদেশে গড়ে উঠছে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার। ইতোমধ্যে দেশের আটটি জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে আটটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

২০২৫ সালের মধ্যে ১৯টি জেলায় এবং ২০৪১ সালের মধ্যে সারাদেশে (৬৪জেলায়) শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার গড়ে তোলার কাজ শেষ হবে বলে জানা গেছে। এগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হলে ১০ লাখ শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিতে পারবে, অন্যদিকে পাঁচ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার প্রকল্পটি মূলত ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেক্ট সজীব ওয়াজেদ জয়ের মস্তিষ্কপ্রসূত।

তিনি ২০১৬ সালে এসএসসি, এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রকল্পটি গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। ইতোমধ্যে আমরা বাংলাদেশের আটটি জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছি।

২০২১ সালের মধ্যে আটটির সম্পূর্ণ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।’ পলক আরও বলেন, ‘গত মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একনেক বৈঠকে আরও নতুন শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন। ফলে ২০২৫ সালের মধ্যে আমরা ১৯টি জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের কাজ শেষ করতে পারবো।’

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০৪১ সাল নাগাদ ৬৪টি জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার থেকে ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান সেন্টারগুলো থেকে নিশ্চিত করতে পারবো বলে আশা করছি।

এসব সেন্টার থেকে ইমেজ প্রসেসিং, ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট, মোবাইল অ্যাপস ও ডেভেলপমেন্ট, ফটোশপ, ডিজিটাল মার্কেটিং, ডাটা এন্ট্রি, কল সেন্টার এজেন্ট তৈরির মতো প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বর্তমানে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার সেবা খাতের যে প্রয়োজনীয় লোকবল দরকার— সেটা মাথায় রেখেই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।

ছয় মাস ব্যাপী সার্টিফিকেট কোর্স এবং ১২ থেকে ২৪ মাস মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স কারিকুলাম ডিজাইন করা হচ্ছে। এসব সেন্টারে একদিকে যেমন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে, অন্যদিকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ইনকিউবেশনের সুযোগ থাকবে। আইটি ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য এসব সেন্টারে ছোট ছোট কিছু ওয়ার্কিং স্পেস থাকবে।

Leave a Reply