“নড়াইল জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক ওহিদুজ্জামান এর নেতৃত্বে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সংগঠিত”

0
4

ফয়সাল মাহমুদ নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:- রেল লাইনে বালি সরবারাহের ব্যাবসাকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতা-কর্মীদের একজোট করে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক ও তার বড় ভাই আওয়ামীলীগ নেতা হাসানুজ্জামান।

নেতৃত্ব পর্যায়ের যুবদলের নামধারী সন্ত্রাসী নাশকতা মামলার আসামী রুবেল গং, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এ্যাডঃরাজীব মোল্ল্যা,ছাত্রদল ক্যাডার আরিফ, জামিরুল, মাহাতাব,আচুব্বার, সহ বিএনপির অসংখ্য ক্যাডারকে একত্রিত করে এস.এম সুলতান ব্রীজ সংলগ্ন নদীর ঘাট মসজিদ কমিটির নামে দখল করে সেখানে বোট থেকে বালি নামানো হচ্ছে, একই সঙ্গে আশে পাশের অনন্য প্রায় ৬/৭ টি নদীর ঘাট অবৈধভাবে দখল করে ড্রেজারবাহী জেটি লাগিয়ে বালি নামানো হচ্ছে।

এই জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ওহিদুজ্জামান একসময় ছাত্র শিবিরের সক্রিয় শূরা সদস্য ছিলো, এই আহ্বায়কের চাচা নাশকতা মামলার ১নং আসামী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি স্বঘোষিত রাজাকার আলেক মোল্ল্যা।অত্র এলাকায় বসবাসকারী প্রায় সকল মানুষ তাদের গোসল সহ আনুষাঙ্গিক প্রয়োজনীয় কাজে নদীর ঘাট ব্যাবহার করে।

কিন্তু এই এলাকার মহিলাগণ, শিশু সহ বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যগণ বর্তমান প্রেক্ষাপটে নদীর ঘাট বা নদীর পানি ব্যাবহার করিবার সুযোগ পাচ্ছে না এজন্য বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।তাছাড়া বালি পরিবহনের নীতিমালা না মেনে যত্রতত্র ইচ্ছা অনুযায়ী বালি পরিবহনের দরুন জনবহুল রাস্তা দিয়ে মানুষের চলাচল অনুপোযোগী হয়ে উঠেছে।

এছাড়া যুবলীগের এই আহ্বায়ক বিএনপির ক্যাডার এবং হাইব্রিড লীগের বাহিনী দ্বারা বিভিন্ন স্থানে জমি দখল করে সেখানে বালির স্তুপ করছে। কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের বির্তকিত চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর মাধ্যমে এই ওহিদুজ্জামান জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব পান।

বর্তমান বিএনপির যুবদল ও ছাত্রদলের ক্যাডারদের পূর্নবাসনের দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করছেন জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ওহিদুজ্জামান ও তার বড় ভাই হাসানুজ্জামান।

উল্লেখ্য যে করোনা ভাইরাসের দরুন লকডাউন চলাকালীন সময়ে ওএমএস ও খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ডিলার থাকায় অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত আটা,চাল কালোবাজারি করে বিক্রি করে, আবার উক্ত সরকারি খাদ্যপণ্য নিজের ত্রান হিসেবে কিছু মানুষের মধ্যে বিতরণ করেন, যেটা প্রমানিত।নড়াইল সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো মাহফুজ রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন, একই সঙ্গে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক মুকুল তিনিও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এটা নড়াইল জেলার ওপেন সিক্রেট বিষয়, তাদের বিষয়ে জানেন না এমন কেউ নাই।

Leave a Reply