মৌমাছির কামড়ে কবুতরের মৃত্যু।

0
13

মোঃ রেজাউল করিম বাবু পাবনা জেলা প্রতিনিধিঃ-

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বরইচারা পূর্বপাড়া গ্রামে
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেল মৌমাছির কামড়ে প্রায় দেড়শতাধিক কবুতরের মৃত্যু হয়েছে এবং দুইজন আহত হয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মৌমাছির চাক ভেঙে মধু সংগ্রহকালে মৌমাছির কামড়ে দেড় শতাধিক কবুতরের মৃত্যু ও ২ জন আহতের ঘটনা ঘটেছে। আহত রানা (৩৫) ও জসিম (৩৭) নামে দুজনকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, ওই এলাকার আলমগীর হোসেনের পুত্র তানিম হোসেন লেখাপড়ার পাশাপাশি শখের বশবর্তি হয়ে নিজ বাড়ির ছাদে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির কবুতর পুষতেন। শুক্রবার বিকেলে তার বাড়ির পাশে একটি গাছের মৌমাছির চাকে মধু সংগ্রহ করতে অপরিচিত ২/৩ জন মানুষ আসে। তারা মৌচাকে হাত দেওয়া মাত্রই মৌমাছিরা চারিদিকে ছুটাছুটি শুরু করে।

এলাকাবাসী আরো জানান, মৌমাছি গুলো এ সময় ছুটে এসে তানিমের ওই পোষা কবুতরগুলোকে কামড় দেয়। এতে কিছুক্ষণের মধ্যেই কামড়ের বিষক্রিয়ায় একে একে কবুতরগুলো মারা যেতে শুরু করে। এ সময় তানিমের চাচাতো ভাই রানা ও জসিমকে মৌমাছি কামড় দিলে তাদেরও বিষক্রিয়া শুরু হয়। দ্রুত তাদের ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

কবুতর পালনকারী তানিম হোসেন জানান, আকস্মিক এ ঘটনায় হতবিহ্বল হয়ে পড়ি। আমার এত শখের দীর্ঘদিনের পালিত কবুতরগুলো চোখের সামনে এভাবে নিমিষেই শেষ হয়ে যাবে তা ভাবতেই পারিনি। তিনি জানান, প্রায় ৫০টি কবুতর ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই মারা যায় এবং প্রায় ৯০টি কবুতরকে আহত অবস্থায় জবেহ করা হয়।

তানিম হোসেন আরো জানান, তার বেশ কিছু বিদেশি প্রজাতির দামী কবুতর ছিলো। তার মধ্যে কোকা, হোমার, লাল চন্দন, হেয়া চন্দন, গিরিবাজ প্রভৃতি প্রজাতির কবুতরের নাম তিনি উল্লেখ করেন। যেগুলো অনেক দূর্লভ।
তিনি বলেন, দেশী বিদেশি এসব কবুতর মারা যাওয়ায় এ ঘটনায় তার প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। মৌচাষিরা ঘটনার মূহুর্তেই তাৎক্ষণিকভাবে পালিয়ে যায় বলে তিনি জানান।

Leave a Reply