নীলফামারীতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও মন্দিরের পবিত্রতা বিনষ্টকারী ০৪(চার) জন গ্রেপ্তার।

0
9

নীলফামারীতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও মন্দিরের পবিত্রতা বিনষ্টকারী ০৪(চার) জন গ্রেপ্তার।

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ- ধর্ম যার যার, দেশ সবার। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর অসাম্প্রদায়িক দেশ হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান হয় বাংলাদেশের। এদেশ বাঙ্গালী জাতীর প্রানের দেশ। এখানে মুসলমান, হিন্দু, খ্রিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীগণ বসবাস করে এবং নিজ নিজ ধর্ম কার্য পালন করে আসছে যুগের পর যুগ ধরে। যে দেশের স্বপ্নদ্রষ্টা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জাতীর জনকের এই দেশে বর্তমানে প্রায়ই ঘটছে ধর্ম অবমাননার ঘটনা। তেমনি একটি ঘটনা ঘটে গেল নীলফামারীর ডোমার উপজেলায়।

গত ০৩ অক্টোবর ২০২০ খ্রিঃ রাত্রী আনুমানিক ০৯.১৫ মিনিট। নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার বড় রাউতা কালী বাড়ী মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট ও ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানার দায়ে এলাকাবাসী ০৪ জন ব্যক্তিকে আটকে রেখেছেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে অফিসার ইনচার্জ জনাব মোস্তাফিজার রহমান সঙ্গীয় অফিসার- ফোর্সসহ দ্রুত সময়ের মধ্যে উপস্থিত হন।

এলাকাবাসী ও মন্দিরের সভাপতির বরাত দিয়ে জানা যায় যে, একটি অটো চার্জার ভ্যানযোগে ডোমার হইতে ০৪ জন ব্যক্তি ১. মোঃ শরিফুল ইসলাম ওরফে মানিক (৪৭), ২ . মোঃ শরিফ মিয়া (৭২), ৩. শ্রী ফুলেশ্বর বর্মন (৫৫), ৪. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন (৪৮) উক্ত ব্যক্তিরা রাত্রি অনুমান ০৯.১৫ ঘটিকায় মন্দিরে প্রবেশ করে ।
এদের মধ্য থেকে একজন ফুলেশ্বর রায় তাঁর হাতে থাকা কাগজে মোড়ানো মাংসের টুকরোটি মন্দিরের গ্রিলের ফাঁক দিয়ে কালী প্রতিমার সামনে ঢিল মারে। সেখানে আগে থেকেই অবস্থানরত জ্যোতির্ময়,মিহির, জীবন ,জনার্দন তাদেরকে দেখা পাইয়া সন্দেহজনক অবস্থায় আটক করে এবং সংবাদ দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে আশে পাশের লোকজন এসে উপস্থিত হন।

আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে তাহারা ঘটনাটির সত্যতা স্বীকার করে এবং তাদের ভুল হয়েছে বলে জানায়। উপস্থিত লোকজনের সামনে কালী প্রতিমার সামনে পড়ে থাকা কাগজে মোড়ানো পটলাটি খুলিয়া দুটি কাগজে লাল কালিতে লেখা ভিতরে একটি মাংসের টুকরার অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
পুলিশ জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করে । উত্তেজিত জনতার সামনে অফিসার ইনচার্জ সুষ্ঠু বিচারের নিশ্চয়তা বিধানের তাহারা শান্ত হয়। আসামিদের গ্রেপ্তার করিয়া থানায় নিয়ে আসা হয় ।

পরবর্তীতে মন্দির কমিটির সভাপতি থানায় আসিয়া এজাহার দাখিল করলে ডোমার থানার মামলা নম্বর ০২ তারিখ ০৪ অক্টোবর ২০২০ খ্রিস্টাব্দে ০০:৪৫ ঘটিকায় রুজু হয়।

আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে যথাযথ পুলিশ কোর্টের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়েছে। মন্দিরের সভাপতি জানান যে ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোস্তাফিজার রহমান স্যারের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা স্বাভাবিক আছে। পুলিশের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Reply