বলির পাঠা হলেন শিক্ষার্থী

0
4
বলির পাঠা হলেন শিক্ষার্থী

পিন্টু স্যার নাটোর প্রতিনিধি

নতুন কলেজ।স্বাভাবিক ভাবেই সেখানে ভর্তির আগ্রহ কম শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।কিন্তু প্রতিষ্ঠান বাঁচাতে হলে দেখাতে হবে শিক্ষার্থী।তাই প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে বলির পাঁটা বানানো হয়েছে ৩৯ শিক্ষার্থীকে।

নিজেদের অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে দিশেহারা শিক্ষার্থীরা প্রতিকার চেয়েছেন ইউএনওর কাছে।করেছেন মানববন্ধন।তাদের মানববন্ধনে যোগ দিয়েছে এলাকার মানুষও।

ঘটনাটি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার চান্দাই এলাকার।এখানকার চান্দাই উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশেই কয়েক বছর আগে গড়ে ওঠে চান্দাই কলেজ।কিন্তু নতুন ওই প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক ভাবেই শিক্ষার্থীদের ভর্তি হওয়ার প্রতি আগ্রহ কম।

কলেজ বাঁচাতে অধ্যক্ষ বোরহান উদ্দিন পাশের চান্দাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেনের সাথে গোপন আঁতাত করেন।২০১৯-২০ শিক্ষা বর্ষে চান্দাই উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করা ৩৯ শিক্ষাথীর ডকুমেন্ট স্কুল থেকে সরবরাহ করা হয় কলেজ অধ্যক্ষের কাছে।অধ্যক্ষ গোপনে নিজ কলেজে ভর্তি করিয়ে নেন ৩৯ শিক্ষার্থীকে।পাশ করা শিক্ষার্থীরা স্কুলে গিয়ে তাদের কাগজপত্র ও পিন নম্বর চাইলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ নানা বাহানায় তা সরবরাহ করেনি।

এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা অনলাইন সেবা কেন্দ্রে গিয়ে তাদের কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গেলে দেখতে পান ৩৯ শিক্ষার্থীই চান্দাই কলেজের একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি রয়েছে।

নিজেদের অজান্তে ভর্তি হওয়ার কারন জানতে স্কুল ও কলেজে ধর্না দেয়ার পর ফাঁস হয় দুই প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রতারনার বিষয়টি।প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি সমাধানের জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।কিন্ত সমাধান না করায় শুক্রবার দুপুরে শিক্ষার্থীরা চান্দাই উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে প্রতিকার দাবি করেন।

এদিকে প্রতারনার বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষ বোরহান উদ্দিন জানান,তিনি খুব শিঘ্রই বিষয়টি সমাধান করবেন।আর স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন তার মোবাইল ফোনটি ধরেননি।

Leave a Reply