তুরস্ককে বায়তুল মোকাদাস মুক্ত করার পথ দেখাচ্ছে আমিরাত ও ইসরায়েল

0
11
তুরস্ককে বায়তুল মোকাদাস মুক্ত করার পথ দেখাচ্ছে আমিরাত ও ইসরায়েল

রুপান্তরঃ আব্বাস আলী। ঝিনাইদহ।
সুত্রঃ বিভিন্ন গণমাধ্যম ও
মঙ্গলবার , ১৮ই আগষ্ট ২০২০ ইং।

আরব আমিরাত তার মুখোশ খুলায় উম্মার জন্য বিরাট এক কল্যাণ হয়েছে। মুলত ফিলিস্তিন ২ খন্ডে বিভক্ত। ২৫ লক্ষ জনসংখ্যার গাজা নিয়ন্ত্রন করে হামাস যাদের পৃষ্টপোষকতা দেয় সুলতান এরদোয়ান। আর ৩০ লক্ষ পশ্চিমতীরের শাসক মাহমুদ আব্বাস যাকে পৃষ্টপোষকতা দিয়ে আসছে সৌদি।

সৌদির ঘনিষ্ট মিত্র আরব আমিরাত পল্টি মারায় মাহমুদ আব্বাস চরম ক্ষুব্দ হয়ে উঠেছে।ফিলিস্তিনি এত লোকের রক্তের সাথে কিভাবে বেইমানী করতে পারল তাদের আরেক ভাই আরব আমিরাত।

মাহমুদ আব্বাস এখন আর সৌদির উপর ভরসা করবে না। সে পুরোপুরি এরদোয়ানের পক্ষে চলে যাবে। আর এরদোয়ানের পক্ষে চলে গেলে এরদোয়ান পশ্চিম তীরে প্রথমে তুর্কি সেনা ঘাটি করবে। বিশ্ব শক্তি অর্ধেকতো এরদোলয়ানের পকেটে সুতরাং আমেরিকা যদি বাড়াবাড়ি করে পরিস্কার বলে দেবে জতিসংঘের নেতৃত্বে বিশ্বনেতাদের ১৯৫০ সালের বিচার মতে ফিলিস্তিনি সীমানা কার্যকর করো।

ইসরাইল কখনো করবেনা কারণ এটা করা মানে ইসরাইল ফিলিস্তিনি ভুমি থেকেও ছোট হয়ে যায়। আর লক্ষ লক্ষ ইহুদী বসতি উচ্ছেদ হযে যাবে পশ্চিম তীর থেকে। সুতরাং ফলাফল কি হবে? গাজা এবং পশ্চিম তীরে বসবাস কারী ৫৫ লক্ষ মুসলমানের একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হবে। আর তুর্কি সেনা ঘাটি থাকা মানে বিশাল ফিলিস্তিনি সেনা বাহিনী গড়ে তুলা। যার চুড়ান্ত পরিনতি শুধু বায়তুল মোক্কাদাস বিজয় নয় গোটা ফিলিস্তিনের ভুমি থেকে ইহুদীদের উৎখাত।

সৌদি এখানেই সব চাইতে বড় ভুলটা করেছে যে, নিজের হেডাম নাই মুসলমান জাতির নেতা সেজে বসে আছে। আর মুসলমানদের যে যেমনে পারে পিঠাচ্ছে। এটা কত বড় লজ্জাজনক ঘটনা মুত্র খোরেরাও আজ মুসলমানদের পিঠাচ্ছে। গাজা বাসী এরদোয়ানের হাতে বায়াত নিয়েছে তাই গাজা এলাকায় ইসরাইলী সেনারা ঢুকতে পারেনা, তারা স্বাধীন বলা যায়। যদি পশ্চিম তীরের মাহমুদ আব্বাস এরদোয়ানের হাতে বায়াত নেয় তাহলে পশ্চিম তীরের সাথে এরদোয়ানের যুদ্ধ ক্ষেত্র সিরিয়ার সীমান্ত রয়েছে, জর্দানের সিমান্ত রয়েছে আর লেবাননের সীমান্ত রয়েছে। সুতরাং মাহমুদ আব্বাস যদি এখন লিবিয়া সরকারের মত সৌদিকে কিক মেরে এরদুয়ানের হাতে বায়াত নেয় তাহলে তুর্কি সেনারা সিরিয়া, জর্দান কিংবা লেবানন সিমান্ত থেকে চোখ বন্ধ করে পশ্চিম তীরে ঢুকে পায়ে হেটে বায়তুল মোক্কাদ্দাস পর্যন্ত পৌছে যাবে।

১৯৫০ সালের বিশ্ব শক্তির বিচার মতে জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনিদের ভাগে পড়েছে সুতরাং তুর্কি সেনাদের বায়তুল মোকাদ্দাস দখল করতে কোন বাঁধা নেই। আশাকরা হচ্ছে অতি দ্রুত সময়ে আমরা এই ঘটনা গুলো দেখতে পারবে।

মহান আল্লাহ সবচাইতে বড় পরিকল্পনাকারী, ২০২৩ সাল যতই ঘনিয়ে আসছে তিনি আমাদের ততই নতুন নুতন খেলা দেখাচ্ছেন। তাই আমরা বিশ্বাস করতে বাধ্য হচ্ছি ২০২৩ সাল নাগাদ এক শক্তিশালী ইসলামিক খেলাফতের যাত্রা শুরু করবে ইনশাআল্লাহ।

Leave a Reply