জমে উঠেছে কুরবানির পশুর হাট।

0
3
জমে উঠেছে কুরবানির পশুর হাট।

পিন্টু স্যার, নাটোর প্রতিনিধি:- ঈদের আর মাত্র কটাদিন বাকি,ইতি মধ্যেই আমরা জানতে পাড়ছি জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায় নাই,দেশের চাঁদ দেখা কমিটির তথ্য সুত্রে বৃহঃপতিবার চাঁদ দেখা যাবে তাই স্বাভাবিক ভাবে আগামী ১০ ই জিলহজ অথাৎ ১লা আগষ্ট বাংলদেশে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে।

ঈদ মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব, বছরে দুইবার আমরা এই উৎসব পালন করি, ঈদু ফিতর যেমন আমরা একমাস অত্যান্ত ভাবগাম্ভীর্যের সাথে রোজা রাখার পর পালন করি।

কিন্ত ঈদুল আজহা কে ঘিরে থাকে সকল মুসলিমদের মাঝে আলাদা অনুভতি, ছোট থেকে বড় সবাই যেন এই ঈদকে নানান ভাবে আলিঙ্গন করে।

যেমন ঈদুল আজহাকে ঘিরে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় মিলন মেলায় লাব্বাইক আল্লাহুমা লাব্বাইক তাকবিরে শুরু হয় হজ করতে যাওয়া হাজীদের হজব্রত পালন, তেমনি আল্লাহ আকবর আল্লাহ আকবর তাকবিরে আলিঙ্গন করেন সারা বিশ্বের সকল মুসলমান জাতি।

যদিও পরিবারের সবাই মিলে নানা আয়োজনে ঈদ উৎসব পালন করলেও, ঈদে থাকে আমাদের অনেক করনীয়, সকালে ঘুম থেকে উঠা এবং ঈদগাহে আল্লাহ সন্তষ্টির জন্য সবাই মিলে নামাজ পড়া। নামাজ শেষে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী পশু কুরবানির করা সেটাকে আবার নিয়ম মেনে সুষ্ঠ বন্টন করা।

কুরবানির প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী সকল মুসলমানদের সাধ্যনুরুপে পশু কুরবানির করা অপরিহার্য কারন সয়ং আল্লাহ তায়ালা মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম আঃ কে পরীক্ষা নিয়েছিলেন শিশু পুত্র ইসমাইল আঃ কে কুরবানির মাধ্যেমে।

যদি আল্লাহর চাওয়া সেই ঈমানী পরীক্ষা অত্যান্ত সফলতার পাশ করেছিলেন হযরত ইব্রাহিম আঃ। যার জন্য আল্লাহ হুকুমে শিশু সন্তান ইসমাইল আঃ স্থলে দুম্বা এনে দেন হযরত জিব্রাইল আঃ।

তখন থেকেই সকল মুসলমানদের জন্য পশু কুরবানির প্রথা চালু আছে। তার ধারাবাহিকতায় আমরা গরু,খাসি,ভেড়া, দুম্বা,মহিষ সহ বিভিন্ন পশু আল্লাহর সন্তষ্টির জন্য কুরবানির করি।

তাই এ বছরে তার ব্যতিক্রম হবে না, যদি বিগত অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের ঈদ একটু অন্যরকম। করোনার থাবায় জনজীবনের স্থবিরতার মধ্যেও দেশের অন্য এলাকার মত জমে ঊঠেছে সবচেয়ে বড় পশুর হাট চলনবিলের প্রাণকেন্দ্র বানিজ্য নগরী চাচঁকৈড়ে।

কাদা,বৃষ্টি হাটে আসতে থামাতে পাড়ে নাই পশু ক্রয় বিক্রেতাদের। সরেজমিন দেখা যায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ক্রেতা বিক্রতাদের মিলন মেলা। ছোট বড় মাঝারি সকল ধরনের পশুর ছড়াছড়ি। দামও ছিল যেকোন বছরের তুলনায় স্বাভাবিক।

হাটে আসা সকলের জন্য ছিল হাট ইজারাদারদের পক্ষথেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ স্থাস্থ্যবিধি মানার জন্য প্রচার প্রচারনা। হাটের বিভিন্ন জায়গায় বসানো হয় হাত দোয়ার ব্যবস্থা।

চাচঁকৈড় হাটে আসা ক্রেতা বিক্রেতারা জানান করোনা সংকটের মধ্যেও সকলেই নিজেদের সুরক্ষার চিন্তায় উদ্বিগ্ন থাকলেও হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির স্থাস্থ্যবিধি মানার উপকরন পেয়ে আমরা খুসি এবং অনেকটা আনান্দ উদ্দিপনার মাঝে নিজের প্রয়োজন মিঠাতে পেরে আনান্দিত।

Leave a Reply