বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান মানবতার পথিক – সাবিহা শবনম কেয়া রহমান

0
46

বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান মানবতার পথিক – সাবিহা শবনম কেয়া রহমান

মোঃ রাশিদুল ইসলাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

মানুষের পৃথিবীতে মানুষের মতো মানুষ কোথায়। যে মানুষকে কাছে পেলে মনে ভক্তি আসে, চিত্তে ভরে ওটে। ঠিক এমনই গুনের একজন অভিযাত্রিক মানবতার পথিকের কথা বলছি। তিনি আর কেউ নন মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক, মানবিক সরকারি কর্মকর্তাখ্যাত ডিসি ফুড, সেফাউর রহমান এর সুযোগ্য সহধর্মিণী, একজন বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জুড়ে মানবিকতার এক মহিমান্বিত নাম, অসহায় মানুষের দীপ্তময় আলোকবর্তিকা সাবিহা শবনম কেয়া রহমান।

শুধু ভালোবাসা দিয়েই সম্ভব পৃথিবীর বুকে শান্তি প্রতিষ্টা করা। এই বিশ্বাস থেকেই দীপ্তময় আলোকবর্তিকা সাবিহা শবনম কেয়া রহমান ভালোবাসা দিয়ে অসহায়-দুস্থদের মাঝে, শান্তি প্রতিষ্টার জন্য নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। আর্ত-মানবতার সেবায় নিয়োজিত হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে চলেছেন নিরন্তর। দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যু পদযাত্রী মানুষকে সেবা ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। ভালোবাসার পরশ পাথর দিয়ে মানুষের সব, দুঃখ, কষ্ট, হতাশা দূর করা যায় -সেটা তিনি নিরন্তর প্রমান করছেন।

আমার মনে পরে, একটা বক্তব্য সেদিন তিনি বলেছিলেন- আমি, আপনি সর্বোপরি আমাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা গুলোই হবে বৃহত্তর শক্তির ফসল। আর এখানেই বিদ্যমান একটি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সার্বিক উপাদান। তাই আসুন, আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য ছিন্নমূল, অসহায়, দরিদ্র ও নানান সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের সাহায্যের্থে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানবতার হাত সম্প্রসারিত করি এবং দলমত, শ্রেনী, ধর্ম সম্প্রদায় নির্বিশেষে গড়ে তুলি একটা সমতা ভিত্তিক মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ সম্পূর্ণ বাসযোগ্য সমাজ।

মানুষ মানুষের প্রতি কতটা সহানুভূতিশীল হন, কতটা দায়িত্ববান হন, কতটা মানবিক হলে বাড়িয়ে তোলে নিজের মূল্যবোধের সব টুকু অর্জন সেটা সাবিহা শবনম কেয়া রহমানকে না দেখলে বোঝা যাবে না। মাদার তেরেসার মতো তিনিও বিশ্বাস করেন, “পৃথিবী বাসীর গুলি আর বোমার দরকার নেই, দরকার ভালোবাসার। আর এই ভালোবাসা দিয়েই তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ বাসীর হৃদয় জয় করে নিয়েছেন।

সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের যে কোনো সমস্যায় তিনি এগিয়ে যান তার সর্বস্ব নিয়ে। অভাবগ্রস্ত কোনো শিক্ষার্থীর ভর্তির ব্যবস্থা, শারীরিক প্রতিবন্ধীকে খাওয়া-দাওয়া ও থাকার ব্যবস্থা, বয়স্ক ও বিধবাদের আর্থিক ও মানবিক সাহায্য, এতিমদের লেখাপড়ার খরচ বহন থেকে শুরু করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিল, মন্দিরে পর্যাপ্ত পরিমাণের অর্থ দান করছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাব, সংঘ, খেলাধুলা, আচার-অনুষ্ঠান সহ দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে চাহিদামত অর্থ দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এছাড়া অসুস্থদের চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজের মধ্যেই নিজের প্রশান্তি খুঁজে নিয়েছেন অসহায় মানুষের দীপ্তময় আলোকবর্তিকা সাবিহা শবনম কেয়া রহমান।

এছাড়া করোনাকালীন সময়ে অসহায় কর্মহীন হতদরিদ্র কয়েকহাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী চাল, ডাল, তেল, পিয়াজ, আলু, লবন ইত্যাদি উপহার হিসেবে পৌঁছে দিয়েছেন। সকালে খাদ্য সামগ্রী বিতরণতো বিকেলে আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে ছুটে গেছেন বাড়িতে-বাড়িতে। নিয়মিত খোঁজ রেখেছেন মেডিকেল চিকিৎসা ব্যবস্থার। করোনার প্রকোপ ঠেকাতে নিয়মিত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিতরণ করেছেন।

বাঙ্গালি জাতির মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখতেন। আজ তারই সুযোগ্য কন্যা বিদ্যানন্দিনী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাবার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য যে দৃঢ় অঙ্গীকার বদ্ধ হয়েছেন এবং সে ভিশন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। জননেত্রীর এই ভিশন বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক, মানবিক সরকারি কর্মকর্তাখ্যাত ডিসি ফুড, সেফাউর রহমান কাজ করে যাচ্ছেন দৃঢ় চিত্তে, দৃঢ় প্রত্যয়ে । আর তারই সুযোগ্য সহধর্মিণী সাবিহা শবনম কেয়া রহমান উন্নত সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মানবতার সেবায় ও স্বামীর সাথে দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড এবং জনগনের সাথে যোগসাজশ রেখে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

পরিশেষে বলতে চাই, নেতৃত্বস্থানীয়ে থাকা ব্যক্তিদের জন্য সাবিহা শবনম কেয়া রহমান যেনো এক দীপ্তিময় শিক্ষার দৃষ্টান্ত। জয় হোক আলোবর্তিকা কেয়া রহমানের, জয় হোক মানবতার।

Leave a Reply