চট্টগ্রাম শপিং কমপ্লেক্সের নির্মীয়মান অংশ ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ চসিকের।

চট্টগ্রাম শপিং কমপ্লেক্সের নির্মীয়মান অংশ ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ চসিকের।

মোঃ সিরাজুল মনির, ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম বিভাগ:-

চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের গাড়ি পার্কিং ও তৃতীয় তলায় নির্মীয়মাণ দোকান ভেঙে ফেলতে হবে। ভেতরের অংশে দোতলা পর্যন্ত দোকান নির্মাণ করা যাবে। এছাড়াও দোকান নির্মাণ করতে গিয়ে মার্কেটের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ঠিকাদারকেই সংস্কার করে দিতে হবে। গতকাল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম সুজন এই নির্দেশনা দেন।

সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের নামে এই মার্কেটের ভেতরে আলো-বাতাস চলাচলের চারটি খালি জায়গা, বাইরে গাড়ি পার্কিং ও তৃতীয় তলায় নির্মাণ করা হচ্ছে তিন শতাধিক দোকান। এতে দৃষ্টিনন্দন এই মার্কেটটি ঘিঞ্জি ও শ্রীহীন হয়ে পড়েছে। অপরিকল্পিত দোকান নির্মাণের বিরুদ্ধে শুরু থেকে আপত্তি জানিয়ে আসছেন ব্যবসায়ীরা। আপত্তির কারণে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন চসিক প্রশাসক।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, ‘তৃতীয় তলা ও পার্কিংয়ের নির্মীয়মাণ দোকান ভেঙে ফেলা হবে। কারণ একতলা ফাউন্ডেশনের মার্কেটটির তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় দোকান নির্মাণ করা হলে তা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে। ভূমিকম্পে ধসে পড়ার আশঙ্কা বাড়বে। এছাড়াও স্কেলেটর নির্মাণ করা যাবে না বলে জানান তিনি। কারণ স্কেলেটর নির্মাণ করা হলে মার্কেট আরও ভারী হয়ে যাবে। ঠিকাদারও তাতে ঐক্যমত পোষণ করেছেন।’ চসিক প্রশাসক বলেন, দোকান নির্মাণ করতে গিয়ে মার্কেটের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি নিরূপণ করে ঠিকাদারকে সংস্কার করে দিতে হবে।’

২০১৯ সালের ২১ আগস্ট ষোলশহরের চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের জন্য শামীম করপোরেশনকে বরাদ্দ দেয় সিটি করপোরেশনের রাজস্ব বিভাগ। এরপর থেকেই দোকান নির্মাণ ও বিক্রি শুরু হয়।
গতকাল সোমবারের বৈঠকে চসিকের প্রশাসক, উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দোকান মালিক সমিতি ও আপত্তি করা ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল বলেন, ‘চারদিকে তিন ফুট খালি জায়গা রেখে নতুন দোকান নির্মাণের কথা বলেছিলেন সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। কিন্তু তা না মেনে পুরাতন মার্কেটের দেয়াল ঘেঁষে দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। এতে মার্কেটে ফাটল ধরেছে। বৃষ্টি হলে ছাদ ও দেয়াল চুইয়ে পানি ঢুকছে।

Author: admin

Leave a Reply