চট্টগ্রাম ষ্টেডিয়ামে খেলাধুলা অনুশীলে সরকারি ১২ নির্দেশনা মানা জরুরি।

মোঃ সিরাজুল মনির, ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম বিভাগ:-

করোনা চলাকালে এখনো খেলাধুলা কিংবা সভা সমাবেশ উন্মুক্ত করেনি সরকার। তারপরও খেলাধুলা যাতে আস্তে আস্তে শুরু করা যায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং সরকারের পক্ষ থেকে ১২ নির্দেশনা মেনে সীমিত পরিসরে খেলাধুলা চালু করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। যেহেতু ১২টি শর্ত মেনে খেলাধুলা চালু করা কঠিন সেহেতু দেশের কোন জেলা বা ফেডারেশন সেদিকে এগুয়নি। কেবল মাত্র চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড খেলাধুলা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর সে জন্য তাদের পোহাতে হচ্ছে নানা কাঠখড়। কারন করোনা থেকে মুক্ত থাকাটা সবচাইতে জরুরি। কিন্তু দেশের কোথাও কোন অনুশীলন না চললেও চট্টগ্রামে গুটি কয়েক একাডেমি স্টেডিয়ামের একটা ছোট মাঠে বাচ্চাদের নিয়ে ঝুঁকিপূর্ন পরিবেশে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছে। যা নজরে এসেছে জেলা ক্রীড়া সংস্থার। তাই সংস্থাটি গতকাল একটি বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেছে। যেখানে বলা হয়েছে ইতোমধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, স্টেডিয়াম এলাকায় কিছু একাডেমি স্বাস্থ্যবিধি না মেনে প্রশিক্ষণ/অনুশীলন কার্যক্রম চালু করেছে। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি ও উদ্বেগজনক। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় হতে প্রেরিত স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করে প্রশিক্ষণ/অনুশীলন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে। অন্যথায় চট্টগ্রাম এম.এ আজিজ স্টেডিয়াম এলাকায় কোন ধরনের প্রশিক্ষণ/অনুশীলন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে। জেলা ক্রীড়া সংস্থার এই নির্দেশনা কতটা কার্যকর হয় সেটাই এখন দেখার বিষয়। গতকাল একাধিক একাডেমির কোচের সাথে কথা বলে জানা গেছে এই পরিবেশে সরকারী স্বাস্থ্যবিধি মানা মোটেও সম্ভব নয়। কারন এটি খোলা মাঠ। এখানে ক্রিকেটার, ফুটবলার সবাই একসাথে ঘিঞ্জিময় পরিবেশে অনুশীলন করে। এখানে কার স্বাস্থ্যবিধি কে মানবে। আর সরকারের এসব নির্দেশনা মানতে যেখানে জেলা ক্রীড়া সংস্থা হিমসিম খাচ্ছে সেখানে একটি একাডেমির পক্ষে সেটা কিভাবে সম্ভব। তারা বলেন অনুশীলন চালাতে গেলে এভাবেই চালাতে হবে। না হয় বন্ধ করে দিতে হবে। এখন জেলা ক্রীড়া সংস্থা সিদ্ধান্ত নেবে তারা এই ছোট্ট বাচ্চাদের করোনা সহ নানা রোগের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিবে নাকি বাচ্চাদের রক্ষা করবে।

Leave a Reply