ফারুক চৌধুরীর সম্পদের হিসাব’হাস্যকর’বলে মন্তব্য করেছেন তানোর-গোদাগাড়ীর জনসাধারণ।

ফারুক চৌধুরীর সম্পদের হিসাব’হাস্যকর’বলে মন্তব্য করেছেন তানোর-গোদাগাড়ীর জনসাধারণ।

আল বাকী বিল্লা (শুভ) ভাম্যমান প্রতিনিধি:- রাজশাহী-১ তানোর-গোদাগাড়ী ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, শহীদ পরিবারের সন্তান, সিআইপি, রাজশাহী চেম্বর অব কমার্সের সাবেক সভাপতি, রাজশাহীর সর্বোচ্চ স্বচ্ছ আয়করদাতা, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও আদর্শিক নেতৃত্ব আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী তিনি জমিদার বংশের সন্তান।

ব্রিটিশ আমলে হাতির পিঠে চড়ে তারা এলাকায় ঘুরতেন হাজার হাজার বিঘা জমির মালিক আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী চৌধুরী ফারুক চৌধুরী চৌধুরী। রাতা রাতি বড়লোক হওয়া পার্টি নয় তিনি।

রাজশাহী অঞ্চলের ভিতরে জমিদার পরিবারের সন্তান। তিনাকে নিয়ে যারা নিউজ ফরওয়ার্ড করে বেড়াচ্ছেন তারা কে কিভাবে টাকা নাড়াচাড়া করে খাচ্ছেন সেটা সবার জানা এই জন্য সম্মান পান না কখনো ।

আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে কথা বললে প্রতিবাদ করার জন্য চোখে দেখা ও হাতে গোনা খুবই কম যেসব ব্যক্তিকে আজকে নেতৃত্বে দিয়ে রেখেছে তারা ও প্রতিবাদ করেনা অবাক হয়ে যায়। এরা কি প্রকৃতপক্ষে আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর কে ভালোবাসে না শুভাকাঙ্খির অভিনয় করে যাচ্ছে।

আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী কে নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট সমলচনা করবেন না এর পরিনতি খুবই খারাপ হবে বলে জানিয়েছেন তানোর উপজেলা বাসি।

এদিকে বঙ্গবন্ধু -১ স্যাটেলাইট যুক্ত স্বনামধন্য টেলিভিশনের খবর প্রকাশ করার মাধ্যম দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠে এসেছে
প্রায় এক ডজন এমপির নামে দুদুকের সম্পদের প্রতিবেদন তৈরির কথা হলেও বারবার সাবেক শিল্পপতি মন্ত্রী আলহাজ ওমর ফারুক চৌধুরীর ছবি দেখিয়ে কি প্রমাণ করতে চেয়েছে সেই স্বনামধন্য টেলিভিশন তানোর ও গোদাগাড়ী বাসী জানতে চাই,,,,?

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০১ সাল থেকে তানোর-গোদাগাড়ীর প্রতিনিধি হিসেবে নৌকা প্রতীক দিয়ে রেখেছেন শুধু তাই না রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে ফারুক চৌধুরী কে দায়িত্ব দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য যে তানোর-গোদাগাড়ী বিএনপির ঘাঁটি ছিলো সেই ঘাঁটি কে ২০০১ সাল থেকে তিল তিল করে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসাবে চলমান রেখেছেন তা একমাএ ওমর ফারুক চৌধুরী।

বঙ্গবন্ধুর সোনার দেশে তারি সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতি করেনা দুর্নীতিবাজদের প্রশ্রয় দেয় না।
কথা হল ফারুক চৌধুরী এমপি যদি অবৈধ পথে সম্পদ করতেন তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০০১ সাল থেকে রাজশাহী-১ সংসদ সদস্য হিসেবে নৌকা প্রতীক তুলে দিতেন না। তানোর-গোদাগাড়ী আওয়ামী লীগের মাথার মুকুট করে ফারুক চৌধুরী রাখতেন না শেখ হাসিনা।

জমিদার বংশের সন্তান হাজার হাজার বিঘা জমির মালিক আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী দুদক প্রতিবেদন তৈরি করবে সমস্যা নাই। কিন্তু মিডিয়াতে বারবার ওমর ফারুক চৌধুরীর ছবি দেখানো কে কেন্দ্র করে। তানোর-গোদাগাড়ী আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
তানোর ও গোদাগাড়ী এলাকাবাসীর বক্তব্য অনুযায়ী জানা যায় যে, আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি তানোরের গর্ব আর সেই গর্ভকে নিয়ে যদি কেউ মিথ্যা প্রচার করে তাহলে রাস্তায় নেমে মিথ্যাচারীদের মুখ ভেঙ্গে দেওয়া হবে

Author: admin

Leave a Reply