ভূমিদস্যুদের নজর এবার নাটোরের ফাইভ স্টার ডালমিলের দিকে।

0
7
নাটোর
  • পিন্টু স্যার,নাটোর প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশ:-০৮.০৯২০২০, সময়:-০১.৫৪ pm

নাটোরে সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যুদের নজর এবার শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বড় হরিশপুর বাইপাস সংলগ্ন মরহুম হাজী রহমত আলী প্রামাণিক প্রতিষ্টিত “ফাইভ স্টার ডাল মিল” এর জমির দিকে বলে অভিযোগ করেছে হাজী রহমত আলীর পরিবারের সদস্যরা। তারা
ভুমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

হাজী রহমত আলী প্রামাণিকের একমাত্র ছেলে গোলাম রাব্বানী রনি জানান, আমার বাবা প্রায় ৪৫ বছর আগে বড় হরিশপুর বাইপাস সংলগ্ন তিনটি দাগের ১ একর ৪৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে ফাইভ স্টার ডাল মিল প্রতিষ্টা করে গত তিন যুগ ধরে সুনামের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য করে আসছিল। তাঁর জীবদ্দশায় জমিটির আগের মালিক হযরত আলীর পরিবার তিনটি মামলা করে তিনটিতেই হেরে যায়।

মামলায় হেরে তারা চুপচাপ ছিল। ইতিমধ্যে ২০২০ সালে বাবা মারা যায়। মারা যাওয়ার পূর্বে আমাকে এবং আমার দুইবোন আফরোজা পারভীন রোজী, ডেইজি পারভীন ও খালাতে ভাই আকরাম হোসেন কে জায়গাটি লিখে দিয়ে যান। মূলত বাবার মৃত্যুর পর থেকে সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যু চক্র উঠে পরে লাগে জায়গাটি দখলের জন্য।

আফরোজা পারভীন রোজী বলেন, নাটোরবাসী ভালভাবেই জানে রহমান পিকে পরিবার আজীবন নাটোরে ব্যবসা বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিষ্টান প্রতিষ্টা করে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। সরকারের রাজস্ব ভান্ডার সমৃদ্ধ করেছে। আমার বাপ- চাচারা কোন দিন কারো জমি দখল করেনি।

কাউকে তার জমি থেকে উচ্ছেদও করেনি। হঠাৎ করে বাবার মৃত্যুর পর এখন বানোয়াট অভিযোগ করা হচ্ছে, আমার বাবা ১২ শতক কিনে ১ একর ৪৬ শতক জমি দখল করেছে। হাস্যকর অভিযোগকারীরা হয়তো জানেনা, আমার বাবা জমিটি কেনার পর থেকে খাজনা,খারিজ, জমির রাজস্ব পরিশোধ করে আসছে। মিথ্যা, বানোয়াট, মনগড়া অভিযোগ করে তারা জমিটি দখলের পাঁয়তারা করছে।
তারই অংশ হিসেবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

ডেইজি পারভীন জানান, আমার বাবা হাজী রহমত আলীর জীবদ্দশায় হযরত আলীর পরিবারকে দিয়ে ভূমিদস্যুদের সহযোগিতায় তিনটি মামলা করে। তিনটিতেই হেরে যায়। এতোদিন তারা চুপ ছিল। বাবা মারা যাওয়ার পর হঠাৎ করে তারা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

মনগড়া অভিযোগ তুলে তারা শহরের প্রধান সড়ক সংলগ্ন ফাইভ স্টার ডালমিলটি দখলের পাঁয়তারা করছে। সংঘবদ্ধ একদল ভূমিদস্যু চক্র টুপাইস কামানোর জন্য হযরত আলী পরিবারকে দিয়ে সংবাদ সম্মেলনসহ নানা তৎপড়তা চালাচ্ছে। আমরা এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং নাটোরের জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।

উল্লেখ্য,শনিবার নাটোর শহরের একটি হোটেলে হযরত আলীর পরিবার এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, হাজী রহমত আলী ১২ শতাংশ জমি কিনে ১একর ৪৬ শতাংশ দখলে নেয় এবং তাদের সেখান থেকে উচ্ছেদ করে।

Leave a Reply