বগুড়া জেলা বাস-মিনিবাস,কোচ ও মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন, শেরপুর বগুড়ার ঘোষিত নির্বাচনী তফসীল সংশোধনের দাবী নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একাংশের

বগুড়া জেলা বাস-মিনিবাস,কোচ ও মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন, শেরপুর বগুড়ার ঘোষিত নির্বাচনী তফসীল সংশোধনের দাবী নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একাংশের

সেলিম রেজা,শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ বিভিন্ন পত্রিকায় বগুড়া জেলা বাস-মিনিবাস,কোচ ও মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন, শেরপুর বগুড়ার নির্বাচনী তফসীল প্রকাশ হলে তা নজরে আসে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এবং প্রকাশিত নির্বাচনী তফসীল সংশোধন চেয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একাংশ। সেই সাথে অভিযোগ পত্রটির অনুলিপি, রেজিষ্টার অব ট্রেড ইউনিয়ন, গ্রেটার রোড,রাজশাহী, সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, জেলা প্রশাসক, বগুড়া, পুলিশ সুপার, বগুড়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, শেরপুর, বগুড়া, অফিসার ইনচার্জ, শেরপুর থানা, বগুড়ায় প্রেরন করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ পত্রটি হুবহু তুলে ধরা হলো। অভিযোগ পত্রের নি¤েœ স্বাক্ষরকারীগণ তাদের অভিযোগ এ বলেন, আমরা নি¤œ স্বাক্ষরকারীগণ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এই মর্মে জানাইতেছি যে গত ০৭/ ১০/২০২০ ইং তারিখের সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যে ফেডারেশনের সভাপতি জনাব শাহজাহান খান ও সাধারণ সম্পাদক জনাব ওসমান আলী কর্তৃপক্ষ অত্র সংগঠনের অবৈধ শ্রমিক ভর্তি করার কারণে একটি যাচাই বাছাই কমিটি গঠিত হয়েছিল। বিষয়টি উক্ত যাচাই বাছাই কমিটির পক্ষ বিপক্ষ সদস্যগণ যাচাই বাছাই পূর্বক ৬৭১০ জন সদস্যের মধ্যে মাত্র ১৮৮৬ জন সদস্য উপস্থিত হয়ে তারা বৈধ সদস্যে পরিণত হয়। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যাচাই বাছাই কমিটির সকল সদস্যদের স্বাক্ষর না থাকায় বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক সমস্ত সদস্য ভোটার করিয়া আপনার বরাবরে দাখিল করিয়াছে যাহা আমাদের বোধগম্য সম্মতি ছিল না। আরো প্রকাশ থাকে যে, প্রায় ৩৫-৪০ জন মৃত সদস্যকে ক্ষতি পূরণের অর্থ প্রদান করেন নাই শুধু চেক প্রদান করা হয়েছে এবং প্রায় ৭০-৮০ জন সদস্যের মেয়ের বিবাহের টাকা পরিশোধ করেন নাই এবং শিক্ষা ভাতা শ্রমিক সদস্যদের সন্তানদের জিপিএ প্রাপ্ত ছাত্রদের দেয়া হয়নি এমনকি সাধারণ সভায় কোন আয় ব্যায়ের হিসাব পাশ হয় নাই । শ্রমিক ইউনিয়নের একটি পরিত্যাক্ত ভবন এশিয়ান হাইওয়ের মধ্যে পড়েছে ভবনটির ক্ষতিপূরণের অর্থ কোথায় গিয়েছে তার হদিস শ্রমিকরা জানেনা। এই সব মিলিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে একটি বিস্ফোরণের সৃষ্টি হয়েছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও তান্ডব সৃষ্টি হতে পারে। এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টতা আইন-শৃংখলার অবনতি ঘটতে পারে বলে মনে করেন। এমতাবস্থায় নির্বাচন পরিচালনার জন্য নতুন করে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত বলে আমরা মনে করি। এ বিষয়ে কোনো উব্ধুব্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে আমাদের দায়ী হতে হবে বলে আমরা মনে করি। তাই ২৪/১০/২০২০ইং তারিখের ঘোষিত তফসিল স্থগিত করা প্রয়োজন বলে মনে করি । অতএব, বিষয়টি বিবেচনা পূর্বক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়াতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি নির্বাচন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে আপনার মর্জি হয় ।
​নিবেদক
১। মো: আহসান হাবীব আম্বিয়া
২। রহিম
৩। আব্দুল বাছেদ
৪। নাজমুল আলম খোকন
৫। মো রেজাউল করিম সিপ্লব
৬। মুনসী সাইফুল বাবী ডাবলু

Author: admin

Leave a Reply