চট্টগ্রাম নগর উন্নয়নে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি করার সিদ্ধান্ত।

চট্টগ্রাম নগর উন্নয়নে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি করার সিদ্ধান্ত।
মোঃ সিরাজুল মনির, ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম:-

শেষমেষ চট্টগ্রাম নগর উন্নয়নে যৌথ ওয়ার্কিং কো- অর্ডিনেশন কমিটি করা হচ্ছে। চট্টগ্রামের সেবা সংস্থাসমূহের সমন্বয়হীনতা নিরসনে সংস্থাসমূহের সাথে ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম ওয়াসা, চট্টগ্রাম বন্দর এবং সিডিএ’র কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাকি সেবা সংস্থাসমূহকেও তাদের প্রতিনিধির নাম দেয়ার জন্য চসিকের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বন্দরের ওয়ার্কিং কমিটিতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে আছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম। আর বন্দরের সাথে যেহেতু রাজস্বের সম্পৃক্ততা আছে তাই রাজস্ব কর্মকর্তাকেও এই কমিটিতে রাখা হয়েছে। অপরদিকে, ওয়াসা এবং সিডিএ’র ওয়ার্কিং কমিটিতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে একজন করে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবং একজন নির্বাহী প্রকৌশলী রাখা হয়েছে। যেসব সেবা সংস্থার সাথে সিটি কর্পোরেশনের যে ধরনের সমন্বয় করা প্রয়োজন সেভাবেই কমিটি গঠন করা হচ্ছে। প্রতিটি সেবা সংস্থার সাথে এভাবে কমিটি গঠন করা হবে। যেখানে জমি সংক্রান্ত বিষয় জড়িত থাকবে সেখানে ভূসম্পত্তি বিভাগের লোক থাকবে, রাজস্বের বিষয়ে রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা, পুরকৌশল কাজের ক্ষেত্রে প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তাকে কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হচ্ছে।

জানতে চাইলে চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাথে সমন্বয় করার বিষয়টি আইনেও নির্দেশনা আছে। কিন্তু সমন্বয় সভায় দেখা যায় সেবা সংস্থার পক্ষ থেকে এমন একজন কর্মকর্তাকে পাঠানো হয় যিনি দায়িত্ব নিয়ে কথা বলতে পারেন না। সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না। এই সমস্যার সমাধানে ওয়ার্কিং কো-অর্ডিনেশন কমিটি গঠন করছি। প্রকৌশল, যোগাযোগ, ভূসম্পত্তি, রাজস্ব, যোগাযোগ ইত্যাদি খাতের সমস্যা নিয়ে কমিটিগুলো কাজ করবে। দুই সংস্থার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা মিলে সিদ্ধান্ত নিবে। যদি তারা সিদ্ধান্ত দিতে না পারেন তখন প্রতিষ্ঠান প্রধানের সাথে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে বেশির ভাগ সমস্যাই ছোটখাটো। দায়িত্বশীল দুই সেবা সংস্থার কর্মকর্তারা মিলে অধিকাংশ ছোটখাটো সমস্যা সমাধান করতে পারবেন।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, যদি চট্টগ্রাম ওয়াসাকে জরুরি ভিত্তিতে কোন সড়ক কাটতে হয় তাহলে আমরা তাদেরকে জরুরি ভিত্তিতেই অনুমোদন দেব। তারা যদি অনুমোদন না নিয়ে রাস্তা কেটে ফেলে তখন সেটি সেভাবে দীর্ঘদিন পড়ে থাকে। তাতে জনগণ কষ্ট পায়। সুতরাং কোথায় কখন কোন রাস্তা কাটা হচ্ছে তা সিটি কর্পোরেশনের জানা থাকতে হবে। তবেই কাটা অংশ দ্রুত মেরামত করা যাবে। নাগরিকরাও দুর্ভোগের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

Author: admin

Leave a Reply