নাটোরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করলো স্বামী।

0
36

নাটোরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করলো পাষণ্ড স্বামী।

নাটোরে দুই সন্তানের জননী আনোয়ারা বেগম শিল্পী নামে এক গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী মইনুল ইসলাম মনির বিরুদ্ধে। নাটোর সদর উপজেলার নারায়ণপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিল্পী একই এলাকার বাহার উদ্দিনের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ঢাকায় চাকরি করতো মইনুল ইসলাম মনি। গত কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে মনি। এরপর থেকে স্ত্রী শিল্পীর সাথে মাঝে মাঝে ঝগড়া ফ্যাসাদ লেগেই থাকত। এরই এক পর্যায়ে গত রাতে ঝগড়ার এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে উপর্যুপরি কুপিয়ে পালিয়ে যায় মনি।
নাটোরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করলো স্বামী।

এ সময় শিল্পীর শিশু সন্তানের আর্ত চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসে এবং মুমুর্ষ অবস্থায় শিল্পীকে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সদর হাসপাতালে নেয়ার পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিল্পীকে মৃত ঘোষণা করে।

পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। পারিবারিক বিরোধে এ হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে বলে জানা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

এদিকে বাবার হাতে মা খুন হওয়ায় বাঁচার আকুতি
বড় বোন মৌমিতা ৮ম শ্রেণীর এবং ছোট বোন মহিমা ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী। নাটোর সদর উপজেলার তেবাড়িয়া ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের একটি ছনের তৈরি ঘরে তাদের বসবাস।
নাটোরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করলো স্বামী।
দুইবোনই স্থানীয় একডালা মডেল উচ্চ্ বিদ্যালয়ের ছাত্রী । মা দিন মজুরি করলেও বেশ আনন্দেই কাটছিল শিশু দুই বোনের জীবন।মায়ের স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে তারা চাকরি করে মায়ের মুখে হাসি ফোটাবে কিন্তু তাদের সেই আনন্দকে নিমিষেই কেড়ে নেয় বাবার রক্তচক্ষু ।

পাষন্ড বাবা তাদের মাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পশুর মতো কুপিয়ে হত্যা করে বাড়ির আঙ্গিনায় ফেলে রেখে যায়।

মায়ের এমন মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভবিষ্যৎ হয়ে উঠেছে অমানিষার কালো রাতের মতো। এখন তাদের ভরণ-পোষণ বা লেখাপড়ার খরচ মেটাবে কে? লেখাপড়া হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু খাবার জুটবে কোথা থেকে।

Leave a Reply