“সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের ফজিলত”

0
31

“সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের ফজিলত”

সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের বাংলা উচ্চারন ও অর্থ হাদিসে আছে,
“যে ব্যক্তি সকালে তিনবার ‘আউ-যুবিল্লা-হি চ্ছামি-য়িলয়াল ী-মিমিনাশশাইত-ন িররজী-ম’ পাঠ করার পর সূরা হাশরে শেষের তিন আয়াত পাঠ করবে,
আল্লাহ তায়ালা তার জন্য সত্তর হাজার রহমতের ফেরেশতা নিযুক্ত করে দিবেন।
তারা সন্ধ্যা পর্যন্ত রহমতের জন্য দোয়া করবে, সেদিন সে মারা গেলে শহিদের মৃত্যু হাসিল হবে ।

যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় এভাবে পাঠ করবে, সে-ও সকাল পর্যন্ত এই মর্তবা লাভ করবে”। (সুবহানআল্লাহ)

সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের বাংলা উচ্চারন ও অর্থ তুলে ধরা হল:
সুরা হাশরের সর্বশেষ তিন আয়াত
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
আল্লাহ’র নামে শুরু করছি যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ
“হু আল্লা হুল্লাজী লা(আ) ইলাহা ইল্লা হু ওয়া আলিমুল গাইবী। ওয়াশ শাহাদাতী হুয়ার রাহমানুর রাহীম।

هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ
হু আল্লা হুল্লাজী লা(আ) ইলাহা ইল্লা হু। ওয়া আল মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল ম্যু মিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির। ছুব হানাল্লাহী আম্মা ইউশরিকুন।

هُوَ اللَّهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ لَهُ الْأَسْمَاء الْحُسْنَى يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ
হু আল্লাহুল খালেকুল বারিয়্যুল মুছাব্বিরু লাহুল আছমা(আ)উল হুছনা। ইউ ছাব্বিহু লাহু মা ফিছ ছামা ওয়াতি ওয়াল আরদ্ ওয়া হুয়াল আজীজুল হাকীম।“

অর্থ- ২২.তিনিই আল্লাহ তা’আলা, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা।

২৩.তিনিই আল্লাহ তিনি ব্যতিত কোন উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্নøশীল। তারা যাকে অংশীদার করে আল্লাহ তা’ আলা তা থেকে পবিত্র।

২৪.তিনিই আল্লাহ তা’আলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নাম সমূহ তাঁরই। নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়।

জেনে রাখা জরুরী  ‘এখানে একবচন শব্দ’ ব্যবহার করা হয়েছে, এখানে যারা বা বহুবচন ব্যবহার করা হয়নি। এটা নিতান্তই একটা ব্যক্তিগত আমল।

অনেক মসজিদে দেখা যায় সংঘবদ্ধভাবে একজন বলছে আর বাকি লোক শুনে পরে সবাই একসাথে চিল্লিয়ে বলছে, এ ধরনের নিয়ম ইসলাম শিক্ষা দেয়নি। তাই এ ব্যাপারে আপনারা একটু সতর্ক হবেন। আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমিন।।

মোঃ আব্বাস আলী ( সাংবাদিক ও গবেষক ই,বি)
সহকারী অধ্যাপক (ব্যবস্থাপনা বিভাগ)
জি, টি ডিগ্রী কলেজ, কোটচাঁদপুর। ঝিনাইদহ।

Leave a Reply