লাকসাম মোস্তফা কামাল নামে এক ব্যক্তিকে ডিবির পরিচয়ে অপহরণ।

লাকসাম মোস্তফা কামাল নামে এক ব্যক্তিকে ডিবির পরিচয়ে অপহরণ|

লাকসাম প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার বাকই দক্ষিণ ইউনিয়নের বরইগাও গ্রামের আনুমানিক রাত ১.১৫ মিনিটে ডিবির পরিচয়ে মোস্তফা কামাল নামে একজনকে অপহরণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ২৮/১০/২০২০ইং রোজ বুধবার দিবাগত রাত ১.১৫ ঘটিকার সময় মোস্তফা কামাল (ভিটকিম ৩০) কে মৎস্য খামার থেকে অপহরণ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা কামাল ( ৩০) এর জায়গায় সম্পতি বিরোধ নিয়ে দীর্ঘ ১ বছর ধরে তার তিন ভাই বিভিন্ন ভাবে শত্রুতা চালিয়ে যাচ্ছে। তাকে বিভিন্ন ভাবে সন্ত্রাস দ্বারা হামলা করেছে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে নন জি, আর মোকদ্দমা ৫১/২০ ও ৫৪/২০ কুমিল্লা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সি,আর,পি,সি চলিত অবস্থায় আছে।

উক্ত অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, পূর্ব জের শত্রুাও মামলা মোকদ্দমা সূত্র ধরে গত ২৮/১০/২০২০ইং রোজ বুধবার দিবাগত রাত ১.১৫ ঘটিকার সময় বাদীর বাড়ির পশ্চিম দিকে মৎস্য খামার পাহার দেওয়ার জন্য মোস্তফা কামাল (ভিটকিম ৩০) ও শামীম অবস্থান করেন। একপর্যায়ে তারা ২ জন ঘুমিয়ে পড়লে মোস্তফা কামাল (ভিটকিম ৩০) এর তিন ভাই পূর্ব পরিকল্পনা সূত্র ধরে যুক্তিকভাবে তারা আরে ৪/৫ জন মুখোশ ধারী সন্ত্রাসী নিয়ে মৎস্য খামারের বেড়া কেঁটে অবৈধ প্রবেশ করে মোস্তফা কামাল (ভিটকিম ৩০) কে ঘুমন্ত অবস্থায় অচেতনতা নাশক ঔষধ নাকে লাগিয়ে অজ্ঞান করে তার সাথে থাকা শামীম কে বালিশ দিয়ে হত্যা করা চেষ্টা করে এবং ভিটকিমকে অজ্ঞান অবস্থায় কোলে তুলে নিয়ে অজ্ঞাত অবস্থায় অপহরণ করে। অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার সময় শামীম কে কাউকে না বলার হুমকি দেয়। শামীম ভিটকিম কে কোথায় নিয়ে যাওয়ার কথা বললে তারা বলে আমরা ডিভির লোক তাকে থানায় নিয়ে যাচ্ছি।

আত্মীয় সূএ জানা যায়, মোস্তফা কামালকে অপহরণের পর তাঁকে কুমিল্লা ডিভি অফিস সহ বিভন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করে ভিটকিমের সন্ধান পায়নি তার আত্মীয় স্বজনরা। তাদের বিশ্বাস ভিটকিমকে অজ্ঞত স্হানে আটক করে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করেছে।

ভিটকিমের আত্মীয়রা খোঁজাখুজির কাজে ব্যস্ত থাকায় মামলা করতে দেরি করে ফেলেছে।

পরেদিন তারা কুমিল্লার বিজ্ঞ লাকসাম থানার সিনিঃ জুডিঃ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে লিখত আকারে দরখাস্ত করেন যার নম্বর সি,আর ২৯১।

উক্ত মামলা দায়ের অভিযুক্তরা হলেন তার তিন ভাই আঃ সত্তার (৫০), পিতা হাজী নুরু মিয়া, আঃ মফিজ(৪৫), পিতা হাজী নুরু মিয়া, আঃ মোনাফ(৪০) এছাড়াও তাদের সাথে অজ্ঞাত ৪/৫ জন সন্ত্রাসী।

উক্ত মামলার স্বাক্ষীগন হলেন মোস্তফা কামাল ভিটকিম(৩০), পিতা হাজী নুরু মিয়া, শামীম পিতা মৃত রুহুল আমিন, রমিজ উদ্দীন মেম্বার(৫০) পিতা মৃত অহেদ আলী, আঃ জব্বার(৫৫) পিতা মৃত রজব আলী, আবুল কাশেম(৪৫) পিতা মৃত আঃ মজিদ, এসমত(৪৫) পিতা মৃত আঃ কাদের, আঃ জনি(১৭) পিতা মোস্তফা তাঁরা সবাই একই গ্রামের বাসিন্দা।

Author: admin

Leave a Reply