বাবা যখন ১৯৮৬ সালে এই তালগাছ গুলো রোপণ করেন তখন তিনি পরিবেশ ও প্রকৃতির কথা বিবেচনা করে করেছিলেন! তৃণা মজুমদার।

বাবা যখন ১৯৮৬ সালে এই তালগাছ গুলো রোপণ করেন তখন তিনি পরিবেশ ও প্রকৃতির কথা বিবেচনা করে করেছিলেন! তৃণা মজুমদার।

সাকিব হোসেন নওগাঁ প্রতিনিধি:-

ঘুঘুডাঙ্গা, নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের ছোট্ট একটি গ্রাম। হাজিনগর গ্রাম থেকে ঘুঘু ডাঙ্গা যাওয়ার পথে হাজিনগরের মজুমদার মোড় থেকে ঘুঘু ডাঙ্গা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার দুধারে শত শত তাল গাছে দাঁড়িয়ে আছে। নিয়ামতপুর উপজেলার অহংকার উপজেলার শিবপুর গ্রামে বেড়ে উঠা ছোট শিশু এক সময় হাজিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বর্তমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদারের হাতে রোপিত সেই তালগাছগুলি বর্তমানে এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে।

সাধন চন্দ্র মজুমদার যখন হাজিনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছিলেন সে সময় নিজ হাতে তাল গাছগুলি রোপণ করেছিলেন। আজ সেই তালগাছগুলি ৫০ থেকে ৬০ ফিট লম্বা হয়ে কালেরস্বাক্ষী হয়ে রাস্তার দু’ধারে শোভা বন্ধন করে আসছে। যারা একবার দেখেছে তারা বার বার দেখতে আসে।

এবিষয়ে সাধন চন্দ্র মজুমদারের মেয়ে বলেন যা আমরা আজ বুনছি, তার ভবিষ্যৎ অনেকের অজানা। কারণ তা রক্ষা করা আদোও সম্ভব কিনা, তার অনিশ্চয়তা থাকে।
কিন্তু কিছু কিছু ভালো কাজের ফল প্রকৃতি নিজে নিজেই দেয়, আর তা রক্ষা করার দায়িত্ব সে নিজেই গ্রহণ করে।

বাবা যখন ১৯৮৬ সালে এই তালগাছ গুলো রোপণ করেন তখন তিনি পরিবেশ ও প্রকৃতির কথা বিবেচনা করে করেছিলেন। আজ ৩৪ বছর ধরে এই গাছ গুলো কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

Author: admin

Leave a Reply