বগুড়ার শেরপুরে বসতবাড়ী অবরুদ্ধ \ সংঘর্ষে আহত ১

0
15

বগুড়ার শেরপুরে বসতবাড়ী অবরুদ্ধ \ সংঘর্ষে আহত ১

সেলিম রেজা, শেরপুর (বগুড়া) থেকে:

বসতবাড়ী অবরুদ্ধ করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ১ জন। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খামাকান্দি ইউনিয়নের খামারকান্দি হাটখোলা পাড়ার মোঃ আফসার আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা সুলতান আহম্মেদ লিটন এর বসতবাড়ী অবরুদ্ধ করাকে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। গত (৫ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ৭ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, খামাকান্দি হাট খোলা থেকে পুর্ব দিকে বয়ে যাওয়া পাকা রাস্তার সংলগ্ন মোঃ সুলতান আহম্মেদ লিটন এর বসত বাড়ি। পাকা রাস্তা থেকে শুরু করে বাড়ির মেইন গেট বরাবর বাঁশ ও কাঠ দ্বারা ঘেরাও করে অবরুদ্ধ করে রেখেছে এলাকার প্রভাবশালী দুলাল। প্রভাবশালী দুলাল একই গ্রামের মৃত সাকা উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী লিটন বলেন, দুলাল পেশী শক্তির বলে তার বাহিনী দিয়ে যে জায়গা ঘেরাও করেছে এবং নিজের জায়গা হিসাবে দাবী করছে সেটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত। কারণ তার ঘেরা দেওয়া জায়গা দুলালের ছোট ভাই সাত্তারের মেয়ে মোছা: ছাবিনার নিকট হতে ২ শতাংশ জমি আমার ক্রয়কৃত। মূলত আমার সেই ক্রয়কৃত জায়গা জোরপূর্ভক ভাবে জায়গা তার বাহিনী দিয়ে দখল করে নেওয়াই তার মুল উদ্দেশ্য। প্রতিদিনের ন্যায় সকালে আমার বাবা গোয়াল থেকে গরু বের করে গরু রাখার জায়গায় গিয়ে দেখতে পায় উক্ত জায়গার গরুর খাবারের স্থান ভেঙ্গে ফেলে আমার ক্রয়কৃত জায়গায় বাঁশ দিয়ে বেড়া দেয়। এমন অন্যায়ের কথা বাবা বললে বাবার উপর দুলাল ও তার মেয়ে জামাই আব্দুল হালিম চরাও হয়। এক পর্যায়ে আমার বাবাকে শশুর জামাই ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। পড়ে আমি চিৎকার শুনে বাড়ির বাহিরে এসে দেখতে পাই তারা আমার বাড়ির মেইন গেটসহ বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়েছে আমি বেড়া দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা আমাকে বেধরক মারপিট করে মাথা পাটিয়ে দিয়েছে ও তার বোন মেরিনা আমার বুকের বাম পাশের্^ কামুর মেড়ে ক্ষত করে এবং জীবনে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়। আমার চিৎকারে এলাকার লোকজন এসে আমাকে তাদের হাত থেকে উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তিনি এবিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানান।
এবিষয়ে দুলালের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, এতদিন পযর্ন্ত তারা আমার জায়গার উপর দিয়ে যাতায়াত করেছে। কিন্তু এখন আমার প্রয়োজনে আমি আমার জায়গা ঘেরাও করেছি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, এমন অভিযোগ পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনআনুক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

Leave a Reply