কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে ডেকে এনে এক গৃহবধুকে ধর্ষণ।

0
17

কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে ডেকে এনে এক গৃহবধুকে ধর্ষণ।

মোঃ সিরাজুল মনির চট্টগ্রাম ব‍্যুরো।
ঞবেশ কিছুদিন ধরে স্বামীর খোঁজ জানেন না ২০ বছর বয়সী স্ত্রী। স্বামীর খোঁজ এবং মিলমিশ করে দেয়ার নাম করে ফোনে ওই গৃহবধূকে কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে ডেকে আনেন পরিচিত এক যুবক। ওই যুবকের নাম মনির। থাকেন নগরীর লালখান বাজারের মতিঝর্ণা ১৪ নং গলির মুখে ফজল কোম্পানির বাসায়। স্বামীর খোঁজ পাওয়ার আশায় শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে আসলে রাতে ওই গৃহবধূকে নিজের বাসায় নিয়ে যান মনির। পরদিন সকালে নিজের স্ত্রী চাকরিতে গেলেই খালি বাসায় মনির ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। নিজে ধর্ষণের পর আরো ৮/১০ জন যুবককে ডেকে আনে মনির। পর্যায়ক্রমে তারাও ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর। ঘটনার পর খুলশী থানায় গিয়ে অভিযোগ জানালে থানা থেকে ওই গৃহবধূকে হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় চমেক হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি হন ওই গৃহবধূ।
এঘটনার প্রধান আসামি মনিরকে গত রাত সোয়া ১১টার দিকে ডবলমুরিং এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খুলশী থানার ওসি মো. শাহীনুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন- এলাকায় মনির পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত। তবে বিষয়টি অবগত নন বলে দাবি ওসি মো. শাহীনুজ্জামানের।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর বাড়ি কুমিল্লার এলিটগঞ্জে। স্বামীসহ নগরীর লালখান বাজারের মতিঝর্ণা এলাকায় ভাড়া থাকতেন তারা। এ দম্পতির আড়াই বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তিন মাস আগে স্বামীর সাথে ঝগড়া করে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা চলে যান ওই গৃহবধূ। মতিঝর্ণা এলাকায় থাকার সুবাদে আগে থেকেই মনিরের সাথে পরিচয়। সমপ্রতি মনির ওই গৃহবধূকে ফোন করে তার স্বামীর সাথে দেখা হয়েছে বলে জানায়। স্বামীর সাথে মিলমিশ করে দেয়ার কথা বলে ওই গৃহবধূকে চট্টগ্রামে আসতে বলেন। স্বামীর খোঁজ পাওয়ার আশায় শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে আসেন ওই গৃহবধূ। রাতে ওই গৃহবধূকে নিজের বাসায় নিয়ে যান মনির। বাসায় স্ত্রী আছে জানিয়ে সমস্যা হবে না বলে মনির ওই গৃহবধূকে আশ্বস্ত করেন। মনির ছাড়াও জাকির, মুন্না, এমরান, মাসুদ ও রাজুর নাম উল্লেখ করেছেন ওই গৃহবধূ। পরে সেখান থেকে বের হয়ে আগে ভাড়া থাকা বাড়িওয়ালাকে ফোন করেন ভূক্তভোগী নারী। তাঁরা ওই নারীকে থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন।
স্থানীয়রা জানান- মনির একাধিক বিয়ে করেছেন। কেউ কেউ তার ৫টি স্ত্রী আছে বলে জানান। কেউ আবার মনিরের ৭টি বিয়ের কথা জানিয়েছেন।
এদিকে, ওই ঘটনায় জড়িত যুবকরা নিজেদের মাঝেও ঝগড়ায় জড়ান বলে স্থানীয়রা জানান। পরে সেখানে পুলিশও আসে।

Leave a Reply