চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন।

0
16

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন।

মোঃ সিরাজুল মনির চট্টগ্রাম ব‍্যুরো।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের রাজনীতি একদলীয় বাকশালী শাসনব্যবস্থায় রূপ পেয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ঐ বছরের ৩ নভেম্বর সেনাবাহিনীর একটি অংশ আধিপত্যবাদে প্ররোচিত হয়ে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করে। তিনি ৬ নভেম্বর পর্যন্ত ক্যান্টমেন্টে বন্দি ছিলেন। ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতা ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাকে মুক্ত করে আনে। তাই ৭ নভেম্বর জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। ৭ নভেম্বর সৃষ্টি না হলে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো না। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বল্প সময়ে দেশের মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছিলেন। দেশপ্রেম, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও সার্ক প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়মূখী কর্মকান্ডের কারণে তিনি একজন জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়েছিলেন। একটি মহল জিয়াউর রহমানের সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এখনও জিয়া পরিবার ও বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নগরীর ২ গেইটস্থ বিপ্লব উদ্যানে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির পুষ্পস্তবক অর্পণ পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র বর্তমানে একটি ঐতিহাসিক শব্দে পরিণত হয়েছে। কারণ দেশে বর্তমানে গণতন্ত্র বলতে কিছুই নেই। গণতন্ত্র কি জনগণ তা ভুলে গেছে। দেশে চলছে একনায়তন্ত্রের আধিপত্যবাদ। তাই ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনাকে ধারণ করে গণজাগরণ সৃষ্টির মাধ্যমে বর্তমানে অগণতান্ত্রিক সরকারের পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে নেমে আসতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমে দেশে নতুন করে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু আজকের বাংলাদেশে গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার, জনগণের নিরাপত্তা কিছুই নেই। দেশ ও জাতি আজ চরম ক্রান্তিকাল অতিবাহিত করছে। জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজ হুমকীর মুখে। ক্ষমতাসীন অবৈধ সরকার মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে গনতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছে। বাকশালের প্রেতাত্মার ঘৃণ্য থাবায় গোটা জাতি আজ বিক্ষুব্ধ। এমতাবস্থায় ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশপ্রেমিক জনতাকে এগিয়ে আসতে হবে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলী আব্বাস, আহবায়ক কমিটির সদস্য অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, এড ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, এনামুল হক এনাম, এড, এস এম ফোরকান, মন্জুর উদ্দিন চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম সওদাগর, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, হুমায়ূন কবির আনসার, ভি পি মোজাম্মেল হক, জিয়াউদ্দিন চৌধুরী আশফাক, হাজী মোঃ রফিক, মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী, জামাল হোসেন, লায়ন হেলাল উদ্দীন, জসিম উদ্দীন, জাহেদ হোসেন চৌধুরী, নুরুল কবির, এড, আবু তাহের, আবুল কালাম আবু চেয়ারম্যান, মোঃ সালাউদ্দিন, আফিল উদ্দিন আহমদ, ইউনুস চেয়ারম্যান, আবু তাহের এমএসসি, এড, আরশাদুর রহমান লিটু, শাহনাজ বেগম, কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবকদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন চৌধুরী রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক মন্জুর আলম তালুকদার, সিঃ সহ সভাপতি শ ই রাহি, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শহীদুল আলম শহীদ, সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ মহসিন, যুগ্ম সম্পাদক কে এম আব্বাস, জেলা ওলামা দলের আহবায়ক হাফেজ মোঃ ফোরকান, সদস্য সচিব মাহফুজুর রহমান আনিছ।


চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলঃ
যুবদল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আজ ৭ নভেম্বর রোজ শনিবার বিকাল ৩ টায় মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ষোল শহরস্থ ঐতিহাসিক বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি’র সভাপতিত্বে এবং জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন নগর যুবদল নেতৃবৃন্দ। এসময় বক্তারা বলেন ১৯৭৫ সালের আজকের এই দিনে সৈনিক জনতা রাজপথে নেমে এসেছিল জাতীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা ও হারানো গণতন্ত্র পুণরুজ্জীবনের দৃঢ় প্রত্যয় বুকে নিয়ে। তাই ৭ ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব অত্যন্ত তাৎপর্য মন্ডিত। ৭ ই নভেম্বর জাতীয় জীবনের এক ঐতিহাসিক অবিস্মরণীয় দিন। এসময় বক্তারা আরো বলেন আধিপত্যবাদী শক্তির তাবেদার এক দলীয় বাকশালী আওয়ামী দুঃশাসনে দেশের মানুষ নির্যাতিত। ৭৫ পরবর্তী রাজনৈতিক বিশৃংখলা তৎকালিন ক্ষমতাসীন মহল নিজ স্বার্থে জাতীয় স্বাধীনতা বিপন্ন করে আধিপত্যবাদের প্রসারিত ছায়ার নীচে দেশ কে ঠেলে দেয়। তৎকালীন সময়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিলেন। বর্তমান বাকশালী সরকার চরম অগনতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী পন্থায় মানুষের ন্যায় সংগত অধিকার গুলোকে হরণ করছে। ৭ নভেম্বরের চেতনায় দেশ মাতৃকার এই চরম সংকটকালে জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও সংগ্রামের মাধ্যমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও হারানো গণতন্ত্র পুন:রুদ্ধার করতে হবে। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সি.সহসভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ সভাপতি এস,এম, শাহ আলম রব, ইকবাল হোসেন সংগ্রাম, ফজলুল হক সুমন, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল করিম, আব্দুল গফুর বাবুল, মোহাম্মদ মুছা, হায়দার আলী চৌধূরী, এড. ফিরোজ, মুজিবুর রহমান মুজিব, আবু সুফিয়ান, জাহেদুল হাছান বাবু, অরুপ বড়–য়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, আব্দুল্লাহ আল টিটু, এরশাদ হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, শাহীন পাটোয়ারী, রাজন খান, ওমর ফারুক, সহ সাধারন সম্পাদক কামাল পাশা, আছাদুর রহমান টিপু, জাহাঙ্গীর আলম বাচা, ওসমান গণি শিকদার, জাফর আহমদ খোকন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ সাগীর, এস,এম বখতেয়ার উদ্দীন, ওমর ইমতিয়াজ টিটু, আছাদুজ্জামান রুবেল, সহ সম্পাদক কমল জ্যোতি বড়ুয়া, সাহেদুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, গিয়াস উদ্দীন টুনু, হামিদুল হক চৌধূরী, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, আশরাফ উদ্দীন, হোসেন জামান, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, ইলিয়াছ হাছান মঞ্জু, ইব্রাহীম খান, দেলোয়ার হোসেন, সালাউদ্দীন, জাফর সাদেক সোহেল, আনোয়ার হোসেন, মোঃ ইদ্রিছ, নুরুল ইসলাম আজাদ, সুলতান মাহমুদ খান সুমন, ইমরান ভূঁইয়া, নগর যুবদলের সদস্য মোঃ হাবীবুল্লাহ খান, সোহাগ খান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল করিম, থানা যুবদলের কুতুব উদ্দীন, মঞ্জুর আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, সরোয়ার সেলিম, আইয়ুব খান, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক আকতার হোসেন, এস,এম, আলী, মোঃ হাছান, জাবেদ হোসেন, বাদশা আলমগীর, মোহাম্মদ ইউনুছ. জহিরুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনঃ

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য ছিলো এক দুঃস্বপ্নের প্রহর। এই চারদিন দেশে কোনো সরকার ছিলো না। স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার দৃপ্ত শপথে সিপাহী – জনতার ঐতিহাসিক অবিস্মরণীয় গণঅভ্যুত্থান হয়, আর এতে মুক্ত হোন জিয়াউর রহমান। পথে পথে সিপাহী-জনতা আলিঙ্গন করেছে, হাত মিলিয়েছে, শ্লোগান দিয়েছে বাংলাদেশ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, জিয়াউর রহমান জিন্দাবাদ।
জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে ত্রাণকর্তা হিসেবে জাতির সামনে আবির্ভূত হোন স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া। এরপর তাঁর ই নেতৃত্বে এগিয়ে চলে বাংলাদেশ এবং নির্মিত হয় আধুনিক বাংলাদেশ ডাক দেন বলে উলে­খ করেন।
৭ নভেম্বর ২০২০ রোজ শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পমাল্য অর্পন ও আলোচনা সভা উত্তরজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি এম এ হালিমের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সাবেকসহ সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ আবু তাহের ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি কাজী সালাহ উদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দিন,সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আমিন,নুর মোহাম্মদ,আলহাজ¦ সেকান্দর চৌধুরী,অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী,জেলা কৃষক দলের সভাপতি অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম লতিফী,সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম বদরু,জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি কামাল পাশা,সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান,জাকের হোসেন,মনির তালুকদার,রহমত উল­াহ,এস এম ফারুক,মোস্তাফা আলম মাসুম,এ্যাডঃ রেজাউন সিদ্দিকী উজ্জ্বল,নাসির উদ্দিন,জুলফিকার আলী ভুট্টো,কাউসার কমিশনার,যুবদল নেতা নুরুল হুদা,আজিজ উল­াহ,সাহাব উদ্দিন রাজু,গাজী হানিফ,নরুন্নবী সাইফুল,একরামুল হক,খোরশেদ আলম,সেলিম মাহমুদ,মুসলিম উদ্দিন রাজা,লিয়াকত আলী জুয়েল,ইলিয়াস হোসেন,আলমগীর মঞ্জু,বেলাল উদ্দিন,মহিউদ্দিন,গিয়াস উদ্দিন প্রমূখ।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষক দলের উদ্যেগে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিতঃ

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষক দলের পক্ষ থেকে নগরীর বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি নেতা এম এ হালিম ,তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর সৃষ্টি না হলে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো না। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বল্প সময়ে দেশের মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছিলেন। দেশপ্রেম, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও সার্ক প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়মূখী কর্মকান্ডের কারণে তিনি একজন জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়েছিলেন। একটি মহল জিয়াউর রহমানের সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এখনও জিয়া পরিবার ও বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,জেলা বিএনপি নেতা নুরুল আমিন, নুর মোহাম্মদ,কাজী সালাউদ্দীন,মো.জাকের হোসেন,কৃষক দলের সভাপতি অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম লতিফী,সাধারণ সম্পাদক মো:বদিউল আলম বদরুল, মো:নাসিরুল করিম মনির,নাসির উদ্দিন, জুলফিকার আলী ভূঠো,মো:বেলাল উদ্দিন,মো: মফিজুর রহমান,মো:কাউসার কমিশনার,মো:মহিউদ্দীন বাহাদুর,মো:জসিম উদ্দিন তাঁরামেম্বার ,মো:গাজী । আলাউদ্দীন.মো:রাশেদ মির্জা,মো:মন্জু,মো:মাসুদুর রহমান,মো:বেলায়েত হোসেন,মো:রুহুল আমিন,কাজী সলাউদ্দীন
নুরুল আলম মেম্বার,শাহাবুদ্দীন রাজু,মো:খোরশেদ আলম মেম্বার,মো:নুরু নবী সাইফুল,একরামুল হক
সেলিম মাহমুদ,ইলিয়াছ হোসেন,আলমগীর মন্জু,মুসলিম উদ্দীন রাজু,লিয়াকত চৌধুরী জুয়েল,আবু তাহের এডভোকেট নুর মোহাম্মদ,নুরুল আমিন কৃষক দল নেতা অধ্যাপক মো:জসিম উদ্দীন,রবিউল হক,নূরু সছালাম

মহিলা দল চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিতঁ

চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের উদ্যোগে মহান বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চট্টগ্রাম ষোলশহরস্থ শহীদ জিয়ার স্মৃতিস্তম্ভ বিপ্লব উদ্যোগে চট্টগ্রাম মহিলা দলে সভানেত্রী বেগম মনোয়ারা বেগম মনি এবং কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদিকা বেগম ফাতেমা বাদশার নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপি নেত্রী রাহেলা জামান, সহ-সভানেত্রী সাবেক কাউন্সিলর জেসমিন খানম, সহ-সভানেত্রী সায়মা হক, মারিয়া সেলিম, রেজিয়া বেগম মুন্নি, কাউন্সিলর প্রার্থী সকিনা বেগম, আখি সুলতানা, সাংগঠনিক সম্পাদিকা কামরুন্নাহার লিজা, সাংগঠনিক সম্পাদিকা গোলজার বেগম, কাউন্সিলর প্রার্থী ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদিকা মনোয়ারা বাবুল, কাউন্সিলর প্রার্থী জিনিয়া রাজ্জাক, কাউন্সিল প্রার্থী নাসরিন সুলতানা, কাউন্সিল প্রার্থী মাহমুদা খানম ঝর্ণা, কাউন্সিলর প্রার্থী রোকসানা বেগম মাধু, দপ্তর সম্পাদক নাসরিন বাপ্পি, মহিলা দল নেত্রী কামরুন্নাহার, খাদিজা বেগম, জিননাত আরা জিনু, মনোয়ারা বেগম হেনা, আলতাজ, শামসুন নাহার, কহিনুর আক্তার, জাহানারা মনি, তানিয়া সুলতানা, আকাশী, হাসিনা বেগম, ইসরাত চৌধুরী, রুমা আক্তার, জুলিয়া বেগম, জাহানারা বেগম সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদিকা বেগম ফাতেমা বাদশা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের যে স্বাধীনতা যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল তার ধারাবাহিকায় ১৯৭৫’র সালের ৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মাধ্যমে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছিল। নগর মহিলা দলের সভানেত্রী মনোয়ারা বেগম মনি বলেন, গণতান্ত্রিক সংগ্রামী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনের জন্য ১৯৭৫ সালের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মত আরেকটি বিপ্লব বাংলাদেশে সংগঠিত করতে হবে।

Leave a Reply