পাবনায় আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে চাষীদের ফসল নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে।

0
16

পাবনাঃ- পাবনায় এক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল করার জন্য চাষিদের ফসল নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে।

পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের চরভবানীপুর গ্রামের তিন কৃষক
জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল বারী বাকী ও সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মালিথার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগকারী কৃষকরা হলেন চরভবানীপুর গ্রামের কৃষক জামাল প্রামাণিক, মহসিন মালিথা ও বারিক মালিথা। তাদের অভিযোগ, তাদের মালিকানাধীন চরভবানীপুরে পদ্মা চরের ৪০৫১ ও ৪২০৭ দাগের প্রায় পাঁচ একর ৯২ শতাংশ জমির কলাক্ষেত ও মাসকালাই কেটে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। যার মূল্য ৩ লক্ষ টাকার বেশি।

চাষিরা জানান, ১৯৪৮ সালে সরকারি নিলামে চরভবানীপুর মৌজায় এসব জমি কিনে চাষাবাদ শুরু করেন তাদের পূর্বপুরুষ। সর্বশেষ হালনাগাদ বছরের খাজনাও দিয়েছেন তারা। এরপরেও, গত কয়েক বছর ধরে কেনা সম্পত্তি দাবি করে জমির দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তারা। ইতোপূর্বে তাদের লোকজন কয়েক বার জমি দখল নিতে এসেছে বলেও জানান তারা।

আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল বারী বাকী ও চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মালিথা জমি দখলের জন্য এই ক্ষতি করেছেন বলে তাদের অভিযোগ। তবে অভিযুক্ত দুইজনই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মালিথা দাবি করেন, চরভবানীপুরে অভিযোগকারী চাষীদের কোনো জমিই নেই। তারা জোর করে আমাদের জমিতে ফসল আবাদ করছে। ফসল নষ্টের অভিযোগও সঠিক নয়।

আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল বারী বাকী বলেন, আলাউদ্দিন চেয়ারম্যান, পাবনা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রমজান আলী চাঁদু ও আমার কেনা জমি ওই চাষিরা দখল করে রেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে একাধিক শালিস হয়েছে। উচ্চ আদালতে মামলা চলছে। জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও ফসল নষ্টের বিষয়টি আমার জানা নেই।

ওই চাষিরা বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) থানায় ফসল নষ্টের অভিযোগ দিয়েছেন।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিক তদন্তে ফসল নষ্টের প্রমাণ মিলেছে। জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

Leave a Reply