চট্টগ্রামের আবাসিক এলাকাগুলোতে রোহিঙ্গাদের শক্ত অবস্থান।

0
12

চট্টগ্রামের আবাসিক এলাকাগুলোতে রোহিঙ্গাদের শক্ত অবস্থান।

চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে রোহিঙ্গাদের অবস্হান রয়েছে খুব কঠিনভাবে। ভূয়া পরিচয় পত্র প্রদর্শন করে নগরীর আবাসিক এলাকা গুলোতে বাড়ি ভাড়া নিয়ে তারা বসবাস শুরু করার এক পর্যায়ে ইয়াবা ব‍্যবসার স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলে।এক প্রকার বাড়ির মালিক ও স্হানীয় পুলিশ প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে তারা এ অবৈধ ব‍্যবসা পরিচালনা করে।
গত ৯ নভেম্বর নগরীর চান্দগাও আবাসিক এলাকার বি ব্লক এর একটি বাসা থেকে নগদ এক কোটি সতের লাখ টাকা এবং ৫ হাজার ইয়াবা সহ এক রোহিঙ্গা দম্পতিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‍্যাব ৭ এর একটি দল। র‍্যাব জানায় তারা গোপন সংবাদের ভিক্তিতে ৯ নভেম্বর সকালে বি ব্লক এর ৭৯ বাড়িতে অভিযান চালায়। র‍্যাব আসার খবর পেয়ে ঐ রোহিঙ্গা দম্পতি নগদ এক কোটি সতের লাখ টাকা জানালা দিয়ে ফেলে দেয়ার চেষ্টা চালায়। এ সময় র‍্যাবে চৌকস দল বাড়ির চারিদিকে ঘিরে ফেলায় রোহিঙ্গা দম্পতি র‍্যাবের হাতে নগদ টাকা ও ইয়াবা সহ গ্রেফতার হয়।
এ অভিযানের পর পুলিশের টনক নড়েছে বলে জানান চান্দগাও আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ সেলিম। তিনি বলেন এখানকার ভবন মালিকগন প্রত‍্যেক ভাড়াটিয়ার পরিচয় পত্রের ফটোকপি নিয়ে একটি নিদ্দিষ্ঠ ফরমপূরনের মাধ্যমে ঘর ভাড়া দেয়ার বাধ্যতামূলক থাকলেও অনেকেই তা না মেনে ঘর ভাড়া দেয় এতে অপরাধিরা ঘর ভাড়া নিয়ে তাদের অবৈধ কর্মকান্ড পরিচালনা করে।
এবিষয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর বলেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা আছে বাড়ি ভাড়া দেয়ার সময় প্রতি ভাড়াটিয়ার তথ‍্য লিপিবদ্ধ করে তাদে ছবি পরিচয় পত্রের ফটোকপি সহ নিকটবর্তী থানায় জমা দিতে হবে। অনেক বাড়ির মালিক আছে তা ফলো করেনা। অতিশীঘ্রয় পুলিশ এ বিষয়ে অভিযানে নামবে বলেও তিনি জানান। মহানগরীতে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রাম নির্বাচন অফিসের এক কর্মকর্তা বলেন কিছু কিছু কতিপয় রাজনৈতিক ব‍্যক্তি রোহিঙ্গাদের এলাকার ভোটার হওয়াতে সহযোগিতা করে। তবে এ ধরনের অভিযোগ পেলে নির্বাচন কমিশন সাথে সাথে ব‍্যবস্হা নিচ্ছে বলেও তিনি জানান।

Leave a Reply