সোনামসজিদ বন্দরে ৪২ কোটি ২৪ লাখ টাকা রাজস্ব ঘাটতি

0
51

সোনামসজিদ বন্দরে ৪২ কোটি ২৪ লাখ টাকা রাজস্ব ঘাটতি

 চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫৪ কোটি ৮৮ লাখ ১৩ হাজার টাকা। কিন্তু রাজস্ব আয় হয়েছে ১১২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪২ কোটি ২৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকা রাজস্ব আয় কম হয়েছে।
রাজস্ব আয় কম হওয়ার কারণে জানতে চাইলে সোনামসজিদ কাস্টমস, আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, শ্রমিক সমন্বয় ও পানামার নেতারা একবাক্যে জানান বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের অভাবে ভারত থেকে পণ্য আমদানি কমে গেছে।যে কারণে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। সোনামসজিদ স্থলবন্দরে অর্থবছরে প্রথম থেকেই আমদানি-রফতানি কম হওয়ার কারণে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।
তবে অক্টোবর মাসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ কোটি ৬২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা বেশি আদায় হয়েছে। অক্টোবর মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৭ কোটি ৫১ লাখ ৬২ হাজার টাকা। রাজস্ব আয় হয়েছে ৪৫ কোটি ৫৩ লাখ ৯৮ হাজার।সোনামসজিদ স্থলবন্দরে সোনামসজিদে আমদানিকৃত পণ্যে শতভাগ রাজস্ব আদায় করার কারণে অক্টোবর মাসে রাজস্ব আয় বেশি হয়েছে।
সহকারী কমিশনার সাইফুর রহমান জানান, চলতি মাসে রাজস্ব আয় আরও বেশি বৃদ্ধি পাবে। ফল আমদানিকারকরা অন্য বন্দর ব্যবহার না করে সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি করলে রাজস্ব আয়বৃদ্ধি পাবে।
সব স্থলবন্দরগুলোতে সরকারের একই নিয়মে রাজস্ব আদায় করা হলে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে সবচেয়ে পণ্য আমদানি হবে এবং রাজস্ব আয়ও লক্ষ্যমাত্রা চেয়ে অনেক গুণ বেশি হবে বলে সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানি-রফতানি গ্রুপের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তোফিকুল ইসলাম বাবু জানান।
তিনি আরও জানান, কোনো কোনো বন্দরে সুযোগ-সুবিধা বেশি পাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা ওই সব বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি করেছে

Leave a Reply