মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট, সাজেক

মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট, সাজেক

মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিভাগের রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত সাজেক বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্যের একটি। সাজেকের নজরকাড়া সৌন্দর্য দিনে দিনে এই স্থানটির জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে তুলছে। সাজেকে যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই অপরুপ সৌন্দর্য।

সাজেকের এই সৌন্দর্যকে উপভোগ করার মজাটাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে সাজেকের কয়েকটি দারুণ রিসোর্ট। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট। এই রিসোর্টটিকে সাজেকের প্রকৃতির সাথে মিশিয়ে এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে যে, সাজেকের সৌন্দর্য উপভোগ করাটা আপনার কাছে ভিন্ন মাত্রা পাবে।

মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট

মেঘপুঞ্জি রিসোর্টে ৪টি কটেজ আছে, যাদের নাম তারাশা, পূর্বাশা, রোদেলা ও মেঘলা। এই কটেজগুলো এমনভাবে বানানো যাতে করে পর্যটকরা সম্পূর্ণ আলাদাভাবে সাজেকে সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে। প্রতিটি কটেজ একটি আরেকটি থেকে আলাদা। প্রতিটি কটেজে আছে একটি কাপল বেড এবং এক্সট্রা ফ্লোরিংয়ের ব্যবস্থা, ফলে প্রতিটি কটেজেই চারজন সহজেই থাকা যায়।

আছে অত্যাধুনিক টয়লেট এবং প্রতিটি কটেজের আলাদা আলাদা বারান্দা। সাজেকের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে পানির সাপ্লাই। মেঘপুঞ্জি আপনাকে দিচ্ছে ২৪ ঘন্টা পানির সুবিধা। আর বিদ্যুৎ এবং জেনারেটর সুবিধা তো আছেই। মেঘপুঞ্জি রিসোর্টে আছে সেলফি ব্রিজ এবং রাতে থাকে চমৎকার লাইটিংয়ের ব্যবস্থা। রিসোর্টের মধ্যে নিজস্ব বাগান রয়েছে; যেখানে সবাই মিলে চমৎকার আড্ডা জমে উঠতে পারে।

মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট

মাজহারুল ইসলাম জিওন ও শাহীন কামালের উদ্যোগ এই মেঘপুঞ্জি রিসোর্টটি। উদ্যোক্তারা জানালেন, শহরের গ্যাঞ্জাম থেকে দূরে যেতেই মূলত সবাই ঘুরতে বের হন, কিন্তু সাজেকে অনেক বেশি রিসোর্ট তৈরী হওয়ায় যারা ঘুরতে যাচ্ছিলেন তারা রিসোর্টগুলোতে থেকে মানসিক প্রশান্তি যেন পাচ্ছিলেন না।

পর্যটকদের মধ্যে নানা অভিযোগ দেখা যেতো। পর্যটকদের সাজেকের প্রকৃতির কাছাকাছি একটি থাকার স্থান প্রদান করার আইডিয়া থেকেই ২০১৭ সালের জুলাই থেকে মেঘপুঞ্জি রিসোর্টটি যাত্রা শুরু করে। জায়গা বেশি থাকলেও পর্যটকদের প্রকৃতির ছোঁয়া দিতে পাত্র ৪টি কটেজ তৈরী করেন তারা।

মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট

বুকিং :

মেঘপুঞ্জি রিসোর্টের নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই বুকিং করতে হয়। http://www.meghpunji.com-এ ঢুকে বুক কটেজ সেকশনে গিয়েই আপনি যেই দিন যাবে সেই দিন খালি আছে কিনা তা চেক করতে পারবেন এবং সেখানেই ফরম ফিলআপ করে বুকিং করে ফেলতে পারবেন।

অনলাইনে বুকিং করে ০১৮১৫৭৬১০৬৫নম্বরে ২০০০ টাকা বিকাশ করে দিলেই কনফার্মেশন পেয়ে যাবেন। মেঘপুঞ্জি অসাধারণ কটেজ পর্যটকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়; তাই অনেক আগে থেকে বুকিং না করলে খালি না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। মাজহারুল ইসলাম জিওন জানালেন, কনফার্ম বুকিং পেতে হলে কমপক্ষে এক থেকে দেড় মাস আগে বুকিং করতে হবে।

মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট

মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট

বুকিং ও যেকোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন: 01911-722007, 01911-254397ছবি : মেঘপুঞ্জি

ভাড়া:
তারাশা কটেজটির ভাড়া শুক্র ও শনিবার ৪,৫০০ টাকা আর অন্য দিনগুলোতে ০০০ টাকা। আর পূর্বাশা, রোদেলা ও মেঘলা-র ভাড়া শুক্রবার ও শনিবারে ৪০০০ টাকা এবং অন্য দিনগুলোতে ৩,৫০০ টাকা।

লিখেছেন:- আহসান রনি

Copyright:- TravelBd.xyz

ব্রি:দ্র: এই কন্টেন্ট টি আমাদের তৈরি নয় । এটি ট্রাভেল বিডি ডট এক্স ওয়াই জেড এর ওয়েব সাইট থেকে কালেক্ট করা হয়েছে ।

Travel bd তে পোস্ট টি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Author: admin

Leave a Reply